টাঙ্গাইলে গ্রাম পর্যায়ে ইংলিশ ভার্সন স্কুলের অভাবনীয় সাফল্য

153

2স্টাফ রিপোর্টারঃ

দেশের গ্রাম পর্যায়ে স্থাপিত প্রথম ইংলিশ ভার্সন স্কুল জিয়া হাসান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল টাঙ্গাইল জেলা সদরের করটিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত। ২০১৫ সালের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় স্কুল ইংরেজী ভার্সনের অন্যান্য স্কুলের মধ্যে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে। এবার ১৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬ জন এ+ ও বাকী দশজন-এ পেয়েছে। যা ইংলিশ ভার্সন হিসেবে খুবই ভাল ফলাফল। এটি এই স্কুলের দ্বিতিয় ব্যাচ। গতবছর প্রথম ব্যাচের আটজন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫ জন এ+ ও বাকী তিনজন এ পেয়েছিল।

প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপ্যাল খন্দকার জিয়া হাসান, তার ঢাকার ফ্ল্যাট বিক্রি করে তার নিজ গ্রামে প্রায় তিন বিঘা জমি কিনে ২০১০ সালে ৬২ জন শিক্ষার্থী নিয়ে গ্রাম পর্যায়ে দক্ষ মানব শক্তি তৈরির লক্ষ্যে এই স্কুল নিয়ে যাত্রা শুরু করেন। অল্প সময়ের মধ্যে স্কুলটি তার ব্যাতিক্রমী পাঠদান পদ্ধতির কারণে সবার নজর কাড়ে এবং টাঙ্গাইলসহ আশেপাশের এলাকায় ব্যাপক সুনাম কুড়ায়। প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপ্যাল খন্দকার জিয়া হাসান একটি দূতাবাসের ইংরেজী শিক্ষক ও দুবার ইংল্যান্ডে প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত এবং ভাইস প্রিন্সিপ্যাল মৌলি তাসনুভা ইংরেজীতে দুবার মাস্টার্স করা ও ঢাকার স্কলাস্টিকা স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষিকা। তাঁরা দুজনে সারাবছর জুড়ে নিয়মিত এখানকার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন এবং শিক্ষার সার্বিক কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করেন। ২২ জন শিক্ষক সহ ৩৬ জন দক্ষ, নিবেদিত প্রাণ তরুনের একটি দল স্কুলটি পরিচালনা করে। শিক্ষকদের মধ্যে ছয়জন ঢাকা থেকে আগত যারা বিভিন্ন নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অনার্স মাস্টার্স করেছেন। স্কুলটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল অল্প সংখ্যক ছাত্রছাত্রী প্রতি বছর ভর্তি করা যাতে করে তাদের প্রতি সর্বোচ্চ যত্ন নেয়া যায়। এখানে ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকের অনুপাত হল ১:৮, যা বাংলাদেশে বিরল।

স্কুলের ভাইস প্রিন্সিপ্যাল মৌলি তাসনুভা বলেন, প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ছাত্রছাত্রীদের ফলাফলে আমরা খুবই আনন্দিত এবং গর্বিত। আমাদের স্কুলের শ্লোগান হল ‘চল, একসাথে খেলি, শিখি এবং বেড়ে উঠি’। শিশুদের সঠিকভাবে বেড়ে অঠার জন্য দরকার সঠিক পরিবেশ এবং সেটিই দেবার সর্বতো চেষ্টা থাকে আমাদের। আমরা সর্বাধুনিক সুযোগ সুবিধা সহ এ বছর থেকে আবাসিক সুবিধা চালু করেছি যাতে করে আশে পাশের উপজেলা, জেলার ছাত্রছাত্রীরাও এখানে পড়াশোনা করতে পারে। দক্ষ মানবশক্তি তৈরিতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।  এলাকাবাসী এবং অভিভাবকরা এমন একটি স্কুল তাদের মাঝে পেয়ে খুবই আনন্দিত ও গর্বিত।

ব্রেকিং নিউজঃ