টাঙ্গাইলে এবারের ঈদের নামাজের যেসব শর্ত মানতে হবে

124

হাসান সিকদার ॥
ঈদ জামাতের সময় মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। নামাজের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। সবাই নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে মসজিদে যাবেন। মসজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার অথবা হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান-পানি রাখতে হবে। প্রত্যেকে নিজের বাসা থেকে ওজু করে মসজিদে যাবেন এবং ওজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিবেন। ঈদের জামাতে অংশ নিতে সবাইকে অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে যেতে হবে। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ বা টুপি ব্যবহার করা যাবে না।
নামাজের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করে দাঁড়াতে হবে। এক কাতার অন্তর অন্তর কাতার করতে হবে শিশু, বয়োবৃদ্ধ, যে কোন অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা জামাতে অংশ নিতে পারবেন না। সবার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে। সংক্রমণ রোধে ঈদের জামায়াত শেষে সবাইকে কোলাকুলি এবং হাত মেলানো পরিহার করার অনুরোধ করা হচ্ছে।
করোনা ভাইরাস মহামারী থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ঈদের নামাজ শেষে আল্লাহর কাছে দোয়া করতে খতিব ও ইমামদের প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে। খতিব, ইমাম এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটি এসব নির্দেশনার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে। এসব নির্দেশনা লংঘিত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃখলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব¡শীলদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফিতরা ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব। এটি এক ধরনের সাদকা বা দান। যা রোজার ভুলত্রুটির দূর করার জন্যে আদায় করা হয়। ঈদের নামাজের পূর্বেই ফিতরা আদায় করার বিধান রয়েছে। ফিতরার ন্যূনতম পরিমাণ ইসলামী বিধান অনুযায়ী নির্দিষ্ট করা থাকে। সাধারণত ফিতরা পরিমাণ আটা বা অন্য শস্যের (যব, কিশমিশ) মূল্যের ভিত্তিতে হিসাব করা হয়। সচরাচর আড়াই সের আটার স্থানীয় মূল্যের ভিত্তিতে ন্যূনতম ফিতরার পরিমাণ নিরূপণ করা হয়। এবার জন প্রতি ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বনিম্ন ৭০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২শ’ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ব্রেকিং নিউজঃ