টাঙ্গাইলে এখন প্রায় প্রতিদিন সকালেই শিশিরের গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি

55

এম কবির ॥
হেমন্তের প্রথম মাস। আর হেমন্ত যেহেতু শীতের বাহন, শীতটাকে তো নামাতে হবে। কার্তিক যেন সে চেষ্টাই করছে। টাঙ্গাইলে শীতের আগে যে ‘শীত শীত’ অনুভূতি, সেটা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এদিকে, গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে এখন নবেম্বর মাস। এ মাসের বৃষ্টি ‘নবেম্বর রেইন’ হিসেবেও পরিচিত। টাঙ্গাইলে এখন প্রায় প্রতিদিনই সকালেই শিশিরের গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হয়। এ কারণে হালকা শীত অনুভূত হচ্ছে। এদিন টাঙ্গাইলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অফিস বলছে, এই শিশির বৃষ্টি বা মেঘলা আবহাওয়া আরও কিছুদিন পর্যন্ত থাকতে পারে। আবহাওয়াবিদরা জানান, পূবালী ও পশ্চিমা বায়ুর সংযোগে এই শিশির বৃষ্টি হচ্ছে। দক্ষিণ আন্দামান ও কাছাকাছি এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি শক্তিশালী হয়ে সর্বোচ্চ নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। বাংলাদেশে এর প্রভাব পড়ার কোন সম্ভাবনা নেই। এ সময়ে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। তবে শীতের আরও দেড়ি আছে বলে ইঙ্গিত দেন আবহাওয়াবিরা।
মূল শীতের, হ্যাঁ, দেড়ি আছে। তবে ওই যে ‘শীত শীত’ ব্যাপার, সেটা মাঝে মধ্যে ঠিক অনুভূত হচ্ছে। কার্তিক এ অনুভূতি দিয়ে যাচ্ছে বটে। অগ্রহায়ণ একেবারে শীতের কালে পৌঁছে দেবে। এ মাসটি শেষ হলে শেষ হয়ে যাবে হেমন্তও। শুরু হবে শীতকাল। মাঝখানের সময়টা চলছে এখন। শিশির ঝরছে। ঘন হচ্ছে কুয়াশা। মাঝে মধ্যে বৃষ্টি। সব মিলিয়ে হেমন্তের প্রভাব স্পষ্ট হচ্ছে। ক্রমে দারুণ উপভোগ্য হয়ে ওঠবে সামনের দিনগুলো। নিশ্চিত বলা যায়, সে অপেক্ষায় এখন বাঙালী।

 

 

 

ব্রেকিং নিউজঃ