টাঙ্গাইলে ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে উত্তেজনা ॥ হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ

147

স্টাফ রিপোর্টার ॥
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলে উতপ্ত হয়ে উঠেছে নির্বাচনী মাঠ। সদর উপজেলার ছিলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে আওয়ামী লীগ মনোনিত এবং স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর লোকজন। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ভাংচুরের মতো ঘটনা ঘটছে। এতে আহত হয়েছে বেশ কয়েকজন। ফলে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে ইউনিয়নবাসীর লোজনদের মধ্যে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশি টহল জোড়দার করা হয়েছে ইউনিয়নটিতে।

হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সুজায়েত হোসেন নিজ কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, আমি এবার ছিলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে চেয়ারম্যান পদে চশমা নিয়ে নির্বাচন করছি। কিন্তু আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবু হানিফ মিয়া তার কর্মী সমর্থক দিয়ে আমার কর্মীদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিলো। এ অবস্থায় আমি নির্বাচনের প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছিলাম। বুধবার (১৩ জুলাই) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে আমার কর্মীদের ওপর অতকিত হামলা করা হয়। অপরদিকে ৩০-৩৫টি মোটর সাইকেল ব্যাপকভাবে ভাংচুরও করা হয়। এ সময় বেশ কয়েকজন কর্মী সমর্থক আহত হয়। বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে সজিব মোল্লা ভর্তি রয়েছে। এ ঘটনার পর থানা পুলিশকে মোখিকভাবে জানানো হয়েছে। তবে হামলার হুমকি থাকায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়নি।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে আমি নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি। এ অবস্থায় আমি প্রচরণা চালাতে পারছি না। এ ঘটনায় আমি সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি করছি।
সংবাদ সম্মেলনে এসএম আব্দুল জব্বার, সিরাজুল ইসলাম সরকার, আলম হোসেন সরকার, মোজ্জামেল হকসহ সুজায়েত হোসেনের কর্মী সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

তবে এসকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী আবু হানিফ মিয়া। তিনি বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর কোন কর্মী বা সমর্থকদের উপর হামলা করা হয়নি। বরং স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজন তার উপর হামলা করতে এসেছিল। তাই তার (আবু হানিফ মিয়া) লোকজন তাদের ধাওয়া দেয়। এসময় তারা মোটরসাইকেল নিয়ে পালানোর সময় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। এতে মোটর সাইকেলগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি মীর মোশারফ হোসেন বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে এ বিষয়ে থানায় কেউ কোন অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সেই সাথে ইউনিয়নে পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে।

ব্রেকিং নিউজঃ