টাঙ্গাইলের ৫ উপজেলার প্লাবিত নিম্নাঞ্চল এলাকাগুলোতে পানি নামছে

105

স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইলে যমুনা, ধলেশ্বরীসহ অভ্যন্তরীণ অন্যান্য নদনদীর পানি কমতে শুরু করেছে। জেলার ৫ উপজেলার নদী তীরবর্তী চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল এলাকাগুলো বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়ে আছে। এতে করে এসব এলাকার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় আছে। ফলে দুর্ভোগের পাশাপাশি সংকট দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ খাবার পানির। এদিকে বানভাসীদের সাহায্যে এখন পর্যন্ত এসব এলাকায় কোন জনপ্রতিনিধি বা সরকারি সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘন্টায় যমুনা নদীর পানি ১৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৪৭, ঝিনাই নদীর পানি ১৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৫৪ এবং ধলেশ্বরী নদীর পানি ১৬ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এক দিকে বাড়ি ঘরে পানি উঠছে, অন্যদিকে ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। পাশাপাশি বন্যা কবলিত এলাকায় মাছের ঘেরগুলো অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা, গাবসারা ও গোবিন্দাসী ইউনিয়ন। কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী, দুর্গাপুর, সল্লা ও দশকিয়া ইউনিয়ন। টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া, মগড়া, কাকুয়া, কাতুলি ও মাহমুদনগর ইউনিয়ন। নাগরপুর উপজেলার ভাড়রা, সলিমাবাদ ও দপ্তিয়র ইউনিয়ন। বাসাইল উপজেলা সদর, কাশিল ও ফুলকী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল গ্রামগুলো বন্যায় প্লাবিত হয়েছে।

বন্যায় প্লাবিত নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল এলাকার ঘরবাড়ি ও আশপাশে পানি প্রবেশ করায় গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন খামারীরা। দেখা দিচ্ছে গো-খাদ্যের অভাব। বন্যা আক্রান্ত গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এইসব এলাকার বিদ্যালয়গুলো বন্যায় প্লাবিত হয়ে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

ব্রেকিং নিউজঃ