টাঙ্গাইলের সাবেক মেয়র মুক্তির বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু

226

আদালত সংবাদদাতা ॥
টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ রোববার (২১ নভেম্বর) শুরু হয়েছে। টাঙ্গাইলের দ্বিতীয় অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে বাদীসহ তিনজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।
আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি খোরশেদ আলম টিনিউজকে জানান, মামলার বাদী টাঙ্গাইল গোয়েন্দা পুলিশের তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) রাশিদুল ইসলাম এবং জব্দ তালিকার সাক্ষী রফিকুল ইসলাম ও বাসুদেব রাজবংশীর সাক্ষ্য আদালত গ্রহণ করেন।
সহিদুর রহমান খান মুক্তি টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের ছেলে এবং এই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ছোট ভাই। সাক্ষ্য গ্রহণের সময় রোববার (২১ নভেম্বর) টাঙ্গাইল কারাগার থেকে সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা মামলার অপর দুই আসামি কাদের জোয়ারদার ও নাসির উদ্দিন নুরুও আদালতে হাজির ছিলেন।
বাদী রাশিদুল ইসলাম আদালতে বলেন, বিগত ২০১৫ সালের (৩০ জুলাই) সদর উপজেলার পোরাবাড়ি গ্রামের কাদের জোয়ারদারকে আটক করা হয়। পরে তাঁর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তাঁর বাড়ি থেকে দুটি পিস্তল, তিনটি ম্যাগাজিন ও তিনটি গুলি উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে কাদের জোয়ারদার জানিয়েছিলেন, এই অস্ত্রগুলো টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির। তিনি নাসির উদ্দিন নুরুর মাধ্যমে এই অস্ত্রগুলো তাঁর (কাদের জোয়ারদার) কাছে রাখতে দিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় জড়িত থাকার বিষয়টি বের হওয়ার পর বিগত ২০১৪ সালের নভেম্বরে টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি আত্মগোপনে যান। আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় এই অস্ত্র উদ্ধার হয়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গত বছরের ডিসেম্বরে সহিদুর রহমান খান মুক্তি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে তিনি অস্ত্র মামলায় আদালত থেকে জামিন পান। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় জামিন না হওয়ায় বর্তমানে তিনি টাঙ্গাইল কারাগারে আছেন।

 

ব্রেকিং নিউজঃ