টাঙ্গাইলের বীর মুক্তিযোদ্ধারা ও রেমিট্যান্স যোদ্ধারা সবচেয়ে বড় মেহমান- ডিসি

116

হাসান সিকদার ॥
টাঙ্গাইলের নবাগত জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দিন হায়দার বলেন, আমার যেকোন ভাল কাজের সাথে আপনারা সাথে থাকবেন। আর খারাপ কাজের সমালোচনা করবেন। আমি খুব স্পষ্টভাষী মানুষ। আমি একমাত্র আল্লাহ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া আর কাউকে কেয়ার করিনা। তিনি আমাকে এখানে বসিয়েছেন। তিনি আমার অভিভাবক। আমি প্রথম দিন থেকেই আমার চেয়ারের পাশে দুটি চেয়ার রেখেছি। একটা হলো বীর মুক্তিযোদ্ধার চেয়ার আর একটা হলো রেমিট্যান্স যোদ্ধার চেয়ার। তারা যখন আসবে আমার কার্যালয়ে তাদের অগ্রাধিকার সবার আগে। তারা বসে আমার সাথে এককাপ কফি খাবে এটাই আমার বড় পাওয়া। ডিসি সাহেবের সবচেয়ে বড় মেহমান এই দুইজন। মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের দেশ দিয়েছে আর রেমিট্যান্স যোদ্ধারা নতুন বাংলাদেশের জন্য শ্রম ঘাম দিয়ে বিদেশের মাটিতে কাজ করছেন। তাদের আমরা যদি সম্মান না দেই তবে আমরা জাতি হিসেবে এগুবো না। আমি আমার ইউএনওদের অনুরোধ করবো তারাও যেন তাদের চেয়ারের পাশে এই দুটো চেয়ার রাখেন।




টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দিন হায়দার মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। বুধবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে কনফারেন্স রুমে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সময় নবাগত জেলা প্রশাসক আরোও বলেন, জেলার প্রতিটি ভূমি অফিসে অভিযোগ বক্স বসানোর অনুরোধ থাকবে এসিলেন্ডদের প্রতি। ডিসিদের যে ক্ষমতা দেয়া আছে তার ১০ ভাগও যদি আমি প্রয়োগ করি তাহলে বহু মানুষ আছে যারা এ এলাকায় থাকতে পারবেনা। কিন্তু আমরা সব কিছু করবো সহনীয়ভাবে।




মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, নবাগত জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দিন হায়দার, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক শামীম আরা রিনি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আবুল হসেম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ওলিউজ্জামান, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলাসহ টাঙ্গাইলের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।




উল্লেখ্য, ডিসি জসীম উদ্দিন হায়দার প্রশাসন ক্যাডারের ২২তম ব্যাচের সদস্য। তিনি এর আগে বরিশাল জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) টাঙ্গাইল জেলার ডিসি হিসেবে যোগদান করেন। তিনি নোয়াখালী জেলার মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি অধ্যাপক আলী হায়দার ও ফিরোজা হায়দারের জেষ্ঠ্যপুত্র। তার সহধর্মিনী তাবাসসুম বিনতে ইসলাম বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান প্রকৌশলী ( যান্ত্রিক) পদে কর্মরত রয়েছেন। ডিসি জসীম উদ্দিন হায়দার অর্থনীতিতে এম.এস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোক প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি ও কোরিয়ার কিংয়মহি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এম.এ ডিগ্রি অর্জন করেন।

ব্রেকিং নিউজঃ