টাঙ্গাইলের বাজারে আসলেও শীতের সবজি এখনও নাগালের বাইরে

124

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
শীতের আগেই আগাম সবজি বাজারে আসলেও ক্রেতারা সুফল পাচ্ছে না। টাঙ্গাইলের বাজারগুলোতে প্রতিদিনই বাড়ছে সবজি ও মাছ মাংসের দাম। আমিষের চাহিদা পূরণে ক্রেতাদের চড়া দামেই কিনতে হচ্ছে মুরগি, ডিম ও বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। সব ধরনেরই ক্রেতার স্বস্তি নেই কাঁচাবাজারে। চড়া দামের কারণে অনেক ক্রেতাকেই চাহিদার চেয়ে কম বাজার নিয়ে ফিরতে হচ্ছে।
শহরের বেশকয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহেই বাড়তি থাকা মুরগির দাম আরও একটু বেড়েছে। আগের দিনের তুলনায় শীতের শাকসবজি বেশি বাজারে আসলেও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। তবুও ক্রেতাকে সবজি কিনতে হচ্ছে। বাজারে এখন বেশিরভাগ সবজির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকার ওপরে। তবে লাউয়ের দাম কিছুটা নাগালে রয়েছে। দাম বাড়ার কারণে নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্তদের প্রয়োজনের তুলনায় কম বাজার করতে হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা টিনিউজকে জানান, শীতের ফুলকপি বাজারে আসলেও সাধারণত সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে সবজির সরবরাহ সাধারণত কিছুটা কম থাকে। এ কারণে সবজির দাম একটু বাড়তি থাকে। এর সঙ্গে এবার বন্যায় অনেক সবজির ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। একইসঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ব্রয়লার ও লেয়ার মুরগির ফার্ম নষ্ট হয়ে গেছে। এ সবের প্রভাব পড়েছে বাজারে। কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ১৫৫ থেকে ১৬৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা।
আর চলতি মাসের শুরুর দিকে ছিল ১২০ থেকে ১৩০ টাকার মধ্যে। ব্রয়লার মুরগির মতো পাকিস্তানী কক বা সোনালি মুরগির দাম চলতি মাসে বেড়েছে। সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে ২১০ থেকে ২৩০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া সোনালি মুরগির দাম বেড়ে এখন ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। পার্ক বাজারের ব্যবসায়ী আলামিন হোসেন টিনিউজকে বলেন, মুরগীর খামারিরা জানিয়েছেন বন্যায় অনেক খামার ভেসে গেছে। ফলে বাজারে মুরগির সরবরাহ কমেছে। এছাড়া গত লকডাউনে সব বন্ধ থাকায় খামারিদের বড় একটি অংশই কোন মুরগির চাষ করেননি। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ায় লকডাউন উঠে গেছে। দেশের সব স্বাভাবিকভাবে চলায় হোটেল-রেস্তোরাঁয় বিক্রি বেড়েছে। এতে বাজারে মুরগির চাহিদা বেড়েছে। একইভাবে মুরগির সঙ্গে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ডিম।

ব্রেকিং নিউজঃ