টাঙ্গাইলের তিন উপজেলার ২৪ ইউপি এক পৌরসভা নির্বাচনে ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

152

নোমান আব্দুল্লাহ ॥
টাঙ্গাইলের ৩টি উপজেলার ২৪টি ইউনিয়ন পরিষদ এবং ঘাটাইল পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে রোববার (২৮ নভেম্বর)। এদিন সকাল ৮টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
ঘাটাইল পৌরসভা নির্বাচনে ৪ জন মেয়র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কাউন্সিলর পদে ২৫ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া ২৪টি ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৯৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পুরুষ সাধারণ সদস্য পদে ৮৬৮ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা পদে ২৭৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ইতিমধ্যে নির্বাচনে কালিহাতী উপজেলার পাইকড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৩৭ হাজার ১৬৪ জন। ভোট কেন্দ্র ২৪৬টি। নির্বাচনে ১২ প্লাটুন বিজিবিসহ পর্যাপ্ত সংখ্যাক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, তৃতীয় দফায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইল পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া কালিহাতী, নাগরপুর এবং মধুপুর উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর, গোহালিয়াবাড়ী, সল্লা, দশকিয়া, নারান্দিয়া, সহদেবপুর, পাইকড়া, বল্লা, কোকডহরা, নাগবাড়ী ইউনিয়ন। নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর, গয়হাটা, বেকড়া আটগ্রাম, নাগরপুর সদর, সলিমাবাদ, দপ্তিয়র, ভাদ্রা, ধুবড়িয়া, মামুদনগর, মোকনা, পাকুটিয়া ইউনিয়ন এবং মধুপুর উপজেলায় আলোকদিয়া, গোলাবাড়ী ও মির্জাবাড়ী ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
ঘাটাইল পৌরসভা-
এবার এই পৌরসভায় প্রথমবারের মতো ইভিএমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বিন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী শহীদুজ্জামান খান শহীদ (নৌকা), জাকের পার্টির প্রার্থী শরীফুল ইসলাম (গোলাপ ফুল), স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রশিদ মিয়া (নারিকেল গাছ) ও মনজুরুল হক (জগ)। এছাড়া নির্বাচনে ২৫ জন কাউন্সিলর প্রার্থী এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন ৯ জন। নির্বাচনে ভোট কেন্দ্র ১০টি এবং ভোট কক্ষ রয়েছে ৫৮টি। মোট ভোটার রয়েছে ২২ হাজার ২৪১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১০ হাজার ৭৯৮ জন এবং মহিলা ভোটার ১১ হাজার ৪৪৩ জন। এ পৌরসভায় বর্তমান মেয়র ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী শহীদুজ্জামান খান শহীদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক মেয়র আব্দুর রশিদ মিয়া ও মনজুরুল হকের মধ্যে ত্রিমুখী লড়াই হবে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
কালিহাতী উপজেলা- এ উপজেলায় ১০টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিয়নগুলো হলো- দুর্গাপুর, গোহালিয়াবাড়ী, সল্লা, দশকিয়া, নারান্দিয়া, সহদেবপুর, পাইকড়া, বল্লা, কোকডহরা, নাগবাড়ী। এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৩৮ জন, সাধারণ সদস্য প্রার্থী ৩১৫ জন এবং সংরক্ষিত সদস্য প্রার্থী ১০৩ জন। বল্লা ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী (নৌকা) ফরিদ আহমেদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শুকুর মামুদ (মোটরসাইকেল)। মোট ভোট কেন্দ্র ১৪টি এবং ভোট কক্ষ ৮৮টি। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ৩১ হাজার ১৯১ জন। সহদেবপুর ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী (নৌকা) মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান খান, স্বতন্ত্র প্রার্থী আইয়ুব আলী খান (আনারস) এবং মাসুদুর রহমান বালা (মোটরসাইকেল)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ২২ হাজার ৯৮৯ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ৬৫টি। পাইকড়া ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আজাদ হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তবে এ ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য এবং সংরক্ষিত পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল হাই আকন্দ (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মতিউল আলম তালুকদার (চশমা), ইসমাইল হোসেন হিটলু (আনারস), হাফিজুর রহমান তালুকদার (মোটরসাইকেল)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৭ হাজার ৭৫২ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ১০টি এবং ভোট কক্ষ ৫২টি।
দশকিয়া ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী এম.এ মালেক ভূইয়া (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (আনারস), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী উজ্জল হোসেন (হাত পাখা)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৩ হাজার ১৩৮ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ৩৮টি। কোকডহরা ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী নুরুল ইসলাম (নৌকা), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম (গামছা), স্বতন্ত্র প্রার্থী নজরুল ইসলাম (মোটরসাইকেল) এবং ফরহাদ হোসেন খান (আনারস)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ২৩ হাজার ৫৫৮ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ১০টি এবং ভোট কক্ষ ৬৭টি। দূর্গাপুর ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী এসএম আনোয়ার হোসেন (নৌকা) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম (আনারস)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৬ হাজার ১৬৯ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ৪৬টি। নারান্দিয়া ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাছুদ তালুকদার (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী ছাদেক আলী তালুকদার (মোটরসাইকেল) এবং মোহর আলী (আনারস)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ২৬ হাজার ৬০১ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ১০টি এবং ভোট কক্ষ ৭৪টি। নাগবাড়ী ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল কাইয়ুম (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদুর রহমান সিদ্দিকী (আনারস), ইথার হোসের সিদ্দিকী (মোটরসাইকেল), বাদশা মিয়া (অটোরিকশা), মামুনুর রহমান সিদ্দিকী (ঘোড়া), শফিকুল ইসলাম (চশমা)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ২৫ হাজার ৩৯৭ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ১০টি এবং ভোট কক্ষ ৭২টি। সল্লা ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল আলীম (নৌকা), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী ফারুক হোসেন (গামছা), স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম আল মামুন (আনারস)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৬ হাজার ৬৯১ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ৪৯টি।
নাগরপুর উপজেলা- এ উপজেলায় ১১টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিয়নগুলো হলো- সহবতপুর, গয়হাটা, বেকড়া, নাগরপুর, সলিমাবাদ, দপ্তিয়র, ভাদ্রা, ধুবড়িয়া, মামুদনগর, মোকনা, পাকুটিয়া। এসব ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৬১ জন, সাধারণ সদস্য প্রার্থী ৪৮১ জন এবং সংরক্ষিত সদস্য প্রার্থী ১৪৩ জন। নাগরপুর সদর ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী কুদরত আলী (নৌকা), ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী রেজাউল করিম (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ বুলবুল মিয়া (ঘোড়া) এবং রফিজ উদ্দিন (আনারস)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ২২ হাজার ৫১২ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ১০টি এবং ভোট কক্ষ ৫৬টি। মামুদনগর ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী জজ কামাল (নৌকা), ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী এনামুল হক (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন (হাতপাখা), আলমাছ উদ্দিন (মোটরসাইকেল), নজরুল ইসলাম (টেবিল ফ্যান), শামছুল আলম (ঘোড়া), সিরাজুল ইসলাম (চশমা)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ৩১ হাজার ৫২৭ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ১২টি এবং ভোট কক্ষ ৮২টি। গয়হাটা ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী সামছুল হক (নৌকা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মিজানুর রহমান (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান আসকর (ঘোড়া), জনি মিয়া (রজনীগন্ধা), পিল্টু হোসেন (টেলিফোন), মনির হোসেন (আনারস) এবং সোহেল রানা (দুটি পাতা)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ২৫ হাজার ৩৫৮ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ১০টি এবং ভোট কক্ষ ৬৭টি। সহবতপুর ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী আনিসুর রহমান (নৌকা), জাতীয় পার্টির প্রার্থী আরিফ (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মিজানুর রহমান (হাতপাখা) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী তোফায়েল মোল্লা (ঘোড়া)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ২৪ হাজার ৭৬৩ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ১০টি এবং ভোট কক্ষ ৬৫টি।
সলিমাবাদ ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহীদুল ইসলাম অপু (নৌকা), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী আরজু খান (গামছা), জাতীয় পার্টির প্রার্থী এমদাদ হোসেন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী রফিক মিয়া (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার হোসেন খান (আনারস)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৮ হাজার ৮৫৩ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ৪৭টি। ধুবড়িয়া ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী মতিয়ার রহমান (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী আশিকুর রহমান (ঘোড়া), আসাদুজ্জামান (অটোরিকশা) এবং শফিকুর রহমান খান (আনারস)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১১ হাজার ৮২০ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ২৯টি। ভাদ্রা ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী হামিদুর রহমান (নৌকা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হাফিজুর রহমান (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ রশিদ মিয়া (আনারস), মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান (ঘোড়া), মোজাম্মেল হোসেন (চশমা), হাবিবুর রহমান খান (মোটরসাইকেল) এবং শওকত আলী (টেবিল ফ্যান)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৯ হাজার ৬২ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ৫৩টি।
মোকনা ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী শরিফুল ইসলাম (নৌকা), ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আলামিন মিয়া (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার সাজ্জাদ হোসেন (ঘোড়া), আতাউর রহমান (আনারস) এবং রমজান আলী (মোটরসাইকেল)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৯ হাজার ৬৩১ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ৫০টি। পাকুটিয়া ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ শামীম খান (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুন্নাহার (টেবিল ফ্যান), আব্দুল আউয়াল মিয়া (চশমা), ছিদ্দিকুর রহমান (আনারস), নজরুল ইসলাম (ঘোড়া) এবং মিজানুর রহমান (মোটরসাইকেল)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৬ হাজার ৫১৮ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ৪১টি। বেকড়া আটগ্রাম ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী শওকত হোসেন (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী খান মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান কিছলু (ঘোড়া) এবং মুকুল মিয়া (আনারস)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১০ হাজার ৫৪ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ২৫টি। দপ্তিয়র ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল কাশেম (নৌকা), জাতীয় পার্টির প্রার্থী রবিউল হোসেন (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র প্রার্থী এম ফিরোজ সিদ্দিকী (আনারস), আব্দুস ছালাম (মোটরসাইকেল), আব্দুল মান্নান মিয়া (চশমা), শহিদুল ইসলাম মোল্লা (ঘোড়া)।
মধুপুর উপজেলা- এ উপজেলায় ৩টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিয়নগুলো হলো- আলোকদিয়া, গোলাবাড়ী ও মির্জাবাড়ী। এসব ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী ১০ জন, সাধারণ সদস্য প্রার্থী ১১১ জন এবং সংরক্ষিত সদস্য প্রার্থী ৩০ জন। মির্জাবাড়ী ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাদিকুল ইসলাম (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী আজহারুল ইসলাম (আনারস)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৯ হাজার ৬৩০ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ১০টি এবং ভোট কক্ষ ৫৮টি। গোলাবাড়ী ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী গোলাম মোস্তফা খান বাবলু (নৌকা) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মজিবর রহমান (আনারস)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ২৬ হাজার ৯৫৯ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি এবং ভোট কক্ষ ৭৮টি। আলোকদিয়া ইউনিয়ন- এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবু সাঈদ তালুকদার (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোমিনুল হক (ঘোড়া), আবু সাইদ খান (চশমা) এবং রেজাউল ইসলাম (আনারস)। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার ২৯ হাজার ৭৯ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ১০টি এবং ভোট কক্ষ ৮৪টি।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান টিনিউজকে বলেন, নির্বাচনে পর্যান্ত সংখ্যাক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হবে। ঘাটাইল পৌরসভা নির্বাচনে ২ প্লাটুন বিজিবি, প্রতিটি কেন্দ্রে ১ জন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুরো পৌরসভায় ৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কালিহাতীতে ৩ প্লাটুন বিজিবি, মধুপুরে ২ প্লাটুন এবং নাগরপুরে ৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হবে। এছাড়া কালিহাতী এবং নাগরপুর উপজেলায় অতিরিক্ত ১ প্লাটুন করে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এই ৩ উপজেলায় ৩ জন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৩ জন করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচনে সাধারণ প্রতিটি কেন্দ্রে ৫ জন করে পুলিশ এবং ঝুকিপূর্ণ কেন্দ্রে ৭ জন করে পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে ১৮ জন করে আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। অপরদিকে র‌্যাব এবং ডিবির টিমও কাজ করবেন। তিনি আরো বলেন, আশা করছি বিগত সময়ের মতো এবারও নির্বাচন সুষ্ঠু এবং অবাধ হবে। এ লক্ষে সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

 

 

ব্রেকিং নিউজঃ