টাঙ্গাইলের ছোট-বড় প্রায় মার্কেটে বিশ্বকাপ ফুটবলের জার্সি বিক্রির ধুম

1,105

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥
আজ রোববার (২০ নভেম্বর) বিশ্বকাপ ফুটবলের ২২তম আসর বসছে কাতারে। আর এই বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে বরাবরের মতো এবারও সাজসাজ রব পুরো টাঙ্গাইল জেলায়। প্রিয় দলের প্রতি সমর্থন জানানোর অন্যতম অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে জার্সি। দোকানি ও ব্যবসায়ীরাও ফুটবলপ্রেমীদের চাহিদা মেটাতে জার্সির পসরা সাজিয়ে বসেছেন। সবচেয়ে লক্ষ্যনীয় বিষয় হলো ঈদের মাকের্টিং করার মতোই অনেকেই প্রিয় ফুটবল দলের জার্সি ক্রয় করছেন।




কাতার বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া বিভিন্ন দেশের জার্সি নিয়ে দোকানিরা পুরোদমে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ফুটপাত থেকে শুরু করে নামিদামি মার্কেটগুলোর বিপণি বিতানের দোকানগুলোতেও শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন দলের জার্সি। চলছে ধুমিয়ে বেচাকেনা। তবে সব দলের জার্সি থাকলেও মূলত ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার জার্সি কেনার ধুম পড়েছে।




টাঙ্গাইলের কাপড় ব্যবসায়ী ও দোকানিরা টিনিউজকে জানান, পুরো বছর তাদের বেচাকেনা চললেও বিশ্বকাপ এলে চাহিদা বাড়ে বিভিন্ন দলের জার্সির। তারা জানালেন, মানভেদে জার্সির দামের হেরফের রয়েছে। তবে ৩০০ থেকে হাজারের মধ্যেই মিলছে প্রিয় দলের জার্সি। আসা ইসলাম এন্টারপ্রাইজের মালিক রাসেল খান টিনিউজকে বলেন, বাজারে তিন মানের জার্সি বিক্রি হয়। লোকাল, চায়না ও থাইল্যান্ডের। লোকাল (দেশে তৈরি) জার্সির দাম ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। চীনে তৈরি একটু ভালো মানের জার্সির দামও কিছুটা বেশি ৫০০ টাকা। সবচেয়ে ভালো মানের জার্সি আসে থাইল্যান্ড থেকে। যার প্রতিটির দাম ৭৫০ থেকে ১২শ’ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এখন পুরোপুরি ব্যবসা জমে উঠেছে। বিশ্বকাপ যত এগিয়ে যাবে বিক্রিও তত বাড়বে বলে আশাবাদী দোকানীরা।




টাঙ্গাইলের ছোট-বড় বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, সব দলের জার্সি বাজারে থাকলেও সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার জার্সি। ব্যবসায়ী মিনহাজ উদ্দিন টিনিউজকে জানান, সবচেয়ে বেশি চলছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার জার্সি। এরপরই চাহিদা রয়েছে জার্মানি, স্পেন ও পর্তুগালের জার্সির। আরেক দোকানি স্বপন সাহা টিনিউজকে বলেন, আমরা থাইল্যান্ড থেকে জার্সি এনে বিক্রি করছি। দেশে পাওয়া যায় এমন সবচেয়ে ভালো মানের জার্সি এটাই। দাম ৯০০ থেকে ১২শ’ মধ্যে। আমাদের কাছ থেকে কিনে নিয়ে অন্যান্যরা আড়াই-তিন হাজার টাকায় এই জার্সি বিক্রি করছে। তবে যারা জার্সি চেনে তারা এখান থেকেই নেয়।




খাদেমুল ইসলাম নামের এক ক্রেতা টিনিউজকে বলেন, বিশ্বকাপের আগে প্রিয় দলের জার্সি কিনব না, সেটা হতেই পারে না। জার্সির দাম সাধ্যের মধ্যে, গুণগত মানও ভালো। আর দরদাম করে কেনা যাচ্ছে। কাপড় ব্যবসায়ী মুবিন আলী সারা বছর কাপড় বিক্রি করলেও বিশ্বকাপের সময় চাহিদার কথা ভেবে ব্রাজিল ও আজের্ন্টিনা দলের জার্সি বিক্রি করছেন।

ব্রেকিং নিউজঃ