জেলা বিএনপির ৮ নেতা জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সদর থানায় মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে জিডি করেছেন

185

28-10স্টাফ রিপোর্টারঃ

সাবেক মন্ত্রী ও টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি মেজর জেনারেল(অবঃ) মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে থানায় জিডি (সাধারণ ডায়রি) করা হয়েছে। টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় মঙ্গলবার জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক ও শহর বিএনপি’র আহবায়ক সাদেকুল আলম খোকা এ জিডি করেছেন। সদর থানায় এ জিডি হওয়ার পর থেকে জেলায় বিএনপির একাধিক গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক তোলপার শুরু হয়েছে। জেলা বিএনপির একাধিক গ্রুপের নেতাকর্মীরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক ও শহর বিএনপি’র আহবায়ক সাদেকুল আলম খোকা টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার ১৩১৭নং জিডি’তে উল্লেখ করেন,  মেজর জেনারেল(অবঃ) মাহমুদুল হাসান জাতীয় পার্টি থেকে যোগদান পুর্বক দলের অভ্যন্তরীন কোন্দল সৃষ্টি করে মুল বিএনপি নেতাদেরকে সকল ক্ষেত্রে বঞ্চিত করে তার অনুসারী, মুল বিএনপিকে পাশ কাটিয়ে শুধুমাত্র জাতীয় পার্টি থেকে আগতদের প্রাধান্য দেয়ায় দলে দু’টি ধারা প্রবাহিত হয়। কিছুদিন পুর্বে সংগঠনের গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে টাঙ্গাইল শহর বিএনপির নির্বাচিত কমিটি মাহমুদুল হাসানের স্বেচ্ছাচারিতায় ভেঙ্গে দিয়ে তার পকেটস্থ জাতীয় পার্টি হতে আগত ও বহিস্কৃত জাহাঙ্গীর হোসেনকে আহবায়ক ও শাহীন আকন্দকে সদস্য সচিব করায় দলের সকলস্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ কারনে তাদের দু’জনকে অধিকাংশ সদস্য অনাস্থা, সাংগঠনিক ব্যর্থতা, কমিটি মেয়াদোর্ত্তীন হওয়ায় ও দলের ভিতর বিভাজন সৃষ্টির অভিযোগে অব্যাহতি প্রদান করায় মেজর জেনারেল(অবঃ) মাহমুদুল হাসানের ষড়যন্ত্রে আমরা বিভিন্ন প্রকার হুমকিতে জীবনের নিরাপত্তার অভাব অনুভব করছি।
সদর মডেল থানায় করা জিডি’তে মাহমুদুল হাসানের ষড়যন্ত্র ও হুমকীতে যাদের জীবনের নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলো, জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি ছাইদুল হক ছাদু, যুগ্ম সম্পাদক হাসানুজ্জামিল শাহীন, আতাউর রহমান জিন্নাহ, দেওয়ান শফিকুল ইসলাম, আবুল কাশেম, কাজী শফিকুর রহমান লিটন এবং মাহমুদুল হক সানু।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার (ওসি তদন্ত) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) থানায় জমা পড়েছে। সে বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরন করে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ব্রেকিং নিউজঃ