ঘারিন্দায় রাতের আঁধারে নদীর তিরে মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ

86

স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের সুরুজ চরপাড়া ঝিনাই নদীতে রাতের আঁধারে এক ভূমিদস্যুর নেতৃত্বে ভেকু দিয়ে অবৈধভাবে মাটি বিক্রির উৎসব চলছে। এতে রাস্তা, ফসলি জমি এবং ঘরবাড়ি হুমকিতে পড়েছে। ভুক্তভোগী এলাকাবাসী এ ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।




সরজমিনে দেখা যায়, সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের সুরুজ চরপাড়া ঝিনাই নদীর পাড় দিয়ে প্রকল্পের আওতায় ব্লক ফেলে রক্ষা বাধসহ নদী ভাঙ্গণ বন্ধ করলেও মাটি কাটা ভূমিদস্যুদের কারণে নদীতে যে ব্লক আছে বর্ষা মৌসুমে তা রক্ষা করা দায়সারা হয়ে পড়বে। জানা যায়, বিগত কয়েক দিন যাবৎ এই নদী পারের মাটিগুলো অভিনব কায়দায় দিনের বেলায় ভেকু থাকে পর্দার আরালে রাতে স্থানীয় প্রভাবশালী মুকুলসহ আরো কয়েকজন মিলে একটি ভেকু দিয়ে মাটি কেটে বিক্রি করছে।




এলাকাবাসীর কথা উপেক্ষা করে তিনি তার একক প্রভাবেই এই কাজ করে বেরাচ্ছেন বলে জানা যায়। এতে পার্শ্ববর্তী রাস্তা ভেঙ্গে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। মাটি বহনের কারণে আশেপাশের বাড়িগুলো ধুলোয় ছেয়ে যাচ্ছে। ফলে ছোট ছোট বাচ্চা নিয়ে ওই এলাকায় বসবাস করা অনুপোযোগী হয়ে যাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন জানান, ধুলোবালিতে ঘড়-বাড়ি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সন্ধ্যার পর থেকেই রাত ভর ট্রাকে মাটি পরিবহন করায় গ্রামীণ সড়কগুলো ধসে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। রাস্তায় পানি দিয়ে গাড়ি চালাতে বললে তারা কোন কথা শুনছে না। আমরা প্রতিবাদ করলে আমাদের বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দেয়। সারারাত গাড়ির শব্দে ঘুম পাড়াতো দূরের কথা ছোট, ছোট বাচ্চাদের নিয়ে চিন্তায় থাকতে হয় যে কখন যেন দৌড়ে গাড়ির নিচে চলে যায়। এই অবৈধভাবে মাটি বহন থেকে পরিত্রান চাই।




এ ব্যাপারে মাটি ব্যবসায়ী মুকুল মুঠফোনে জানান, আমি মাটি ব্যবসার সাথে জরিত না। পরে কথার ছলে বলেন, আমি অল্প কয়েকদিন যাবৎ নদীর পারে আমার জমি থেকে মাটি কাটছি। মাটি কাটে আপনারা এটা দেখেন না কেন ? রাস্তার ব্যাপারে বললে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রানুয়াারা খাতুন জানান, রাতে মাটি কাটে বিষয়টি জানা ছিলো না। আমি খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

 

 

ব্রেকিং নিউজঃ