ঘাটাইলে ভাংচুরের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ মিছিল ও থানা ঘেরাও ॥ ২২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

133

1ঘাটাইল সংবাদদাতাঃ
পলাতক এমপি আমানুর রহমান খান রানার নির্বাচনী এলাকায় গত বুধবার রাতে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম খান হেস্টিংস এর বাড়িতে প্রতিপক্ষ গ্রুপের হামলার ঘটনায় শুক্রবার সকালে থানায় মামলা না নেয়ার অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ওই ইউনিয়নের বিক্ষুদ্ধ মহিলারা। পরে তারা ঘাটাইল থানার সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক আধাঘন্টা অবরোধ করে রাখে। এরপর থানা পুলিশ উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ২২জন নেতাকর্মীর নামে আন্দোলনকারীদের একটি লিখিত অভিযোগ গ্রহন করেন।
ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম খান হেস্টিংস এর থানায় দেয়া লিখিত অভিযোগে জানা যায়, বুধবার গভীর রাতে ঘাটাইল উপজেলার পৌর এলাকার বাজার রোডে অবস্থিত জামুরিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের বাসায় জিবিজি কলেজের সাবেক ভিপি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক শহিদুজ্জামান খানের নেতৃত্বে ২০-২২ জন লোক দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ১৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। এতে সে অস্বীকৃতি জানালে তার উপরে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। পরে তারা ঘরে ঢুকে মূলবান জিনিসপত্র ভাংচুর করে। এতে প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে অভিযোগ থেকে জানা যায়। অভিযুক্তরা হলো- শহিদুজ্জামান খান শহিদ, (৪৫), আবু সাইদ রুবেল (২৬), আবির (২১), রনি তালুকদার (২৮), রানা (২৭), মমিন (২৭), রঞ্জু (২৫), মিতুল তালুকদার (২৪), মঞ্জু খান (২৫), রাজিব সরকার (২৫), সোহেল সরকার (২৫), বাবর আলী (৩০), রুবেল হোসেন (২৪), সোহেল (২১), অলিক (২৪), ইয়েন (২২), সাগর (২৫), জাহাঙ্গীর (৫০), জনি (২১), সজল সিদ্দিকী (২৬), হৃদয় (২১) এবং রাজন মিয়া (২২)। অভিযুক্তরা সকলেই ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।
এ বিষয়ে জামুরিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম খান হেস্টিংস সাংবাদিকদের জানান, আমার কাছে তারা কর্মসৃজন প্রকল্পের টাকা দাবি করে। ইতিমধ্যে আমি তাদেরকে কিছু টাকা দিয়েছি। তারপরেও আমার বাড়িতে ওরা গভীর রাতে টাকার জন্য হামলা চালিয়েছে।
এ বিষয়ে জিবিজি কলেজের সাবেক ভিপি ও ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক শহিদুজ্জামান খান থানায় অভিযোগের বিষয়ে জানান, বিগত ৬ মাসের মধ্যে উনার সাথে (চেয়ারম্যান) আমার কোন যোগাযোগ হয় নাই। আর দলের ছেলেরা তার কাছে চাঁদা চাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) কামাল হোসেন জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ব্রেকিং নিউজঃ