ঘাটাইলে দধি ও মিষ্টান্ন কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ

170

ঘাটাইল সংবাদদাতা ॥
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল বাসস্ট্যান্ডে দধি ও মিষ্টান্ন কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন প্রকারের মিষ্টি ও দই। কারখানার পরিবেশ ও শ্রমিকরাও অস্বাস্থ্যকর। এলাকাবাসীর অভিযোগ দই এর মধ্যে টয়লেট টিশু ব্যবহার করে আকর্ষনীয় করা হয়। নোংরা পরিবেশে এসব মিষ্টি জাতীয় খাবার তৈরি হলেও স্থানীয় প্রশাসনের নেই কোন নজরদারী। তাই এসব দোকানের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ক্রেতারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘাটাইল পশ্চিম পাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে মিষ্টি তৈরি ও ঘাটাইল বাস্ট্যান্ডে বিক্রি করে আসছে দধি ভান্ডার ও মিষ্টান্ন। সেখানে সরকারের অনুমোদন ছাড়াই গোপনে গড়ে তোলা হয়েছে দই, ঘি ও মিষ্টির কারখানা। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অনুমোদনহীন ওই কারখানায় কর্মরত শ্রমিকরা খালি গায়ে, অপরিস্কার ও স্যাঁতসেতে দুর্গন্ধময় স্থানে তৈরী করছে দই ও মিষ্টি। ঘাটাইল পশ্চিমপাড়া দধি ও মিষ্টান্ন ভান্ডারের কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, একজন শ্রমিক গেটের বাহিরে দাঁড়িয়ে আছে। ভিতরে গিয়ে দেখা যায় দুই মহিলা ভিতরে দাঁড়িয়ে আছে। দই তৈরীর জন্য বহু আগে প্রস্তুতকৃত দুধের পসরা হাজার হাজার মৌমাছি ও মাছির দখলে। এর পাশে খোলা ঘরে তৈরী করা ছানার ঘি ও মাওয়া ধারার বেড়া দিয়ে বাতাস পাওয়ার জন্য নেটবিহীন উম্মুক্তভাবে ছড়িয়ে রাখা হয়েছে। দূগন্ধযুক্ত ড্রামে মজুদ করা ছানা ও দুধে মাছির ভনভনানি, সেইসাথে সেখানে অসংখ্য মশা-মাছি মরে পড়ে রয়েছে। কারখানায় কর্মরত শ্রমিক-কারিগরদের পড়নে নেই এ্যাপ্রোন, হাতে নেই হ্যান্ডগ্লোবস, মাস্ক ও হেডক্যাপ। ওইসব মৌমাছি ও মাছি বসা হাড়ির ছবি তুলতে গেলে জীবন দধি ভান্ডার ও মিষ্টান্ন ভান্ডারের স্বত্ত্বাধিকারী জীবন ঘোষের স্ত্রী বলেন, ছবি তুলে কোন ফল হবে না। মোটা অংকের টাকায় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে আমরা এই কারখানা পরিচালনা করে থাকি। তাই ছবি তুলে কোন লাভ হবে না।
এ ব্যাপারে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন টিনিউজকে বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ব্রেকিং নিউজঃ