ঘাটাইলে কিশোরী গণধর্ষনের শিকার ॥ ৩ যুবক গ্রেফতার

139

2ঘাটাইল সংবাদদাতাঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের সাগরদিঘী গ্রামের এক কিশোরীকে চারদিন আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগে শনিবার সন্ধ্যায় তিন যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো- ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার কাঠবাউলা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে হাফিজুর রহমান (১৯), ঘাটাইলের সাগরদিঘী ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের জলিল মেকারের ছেলে সোহেল (২৫) ও একই গ্রামের মোতালেব মিয়ার ছেলে উজ্জল মিয়া(২৩)। রোববার দুপুরে গ্রেফতারকৃতদের টাঙ্গাইল জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নে আশারিয়াচালা গ্রামের ওই কিশোরী বুধবার সকালে ঘাটাইল কলেজ মোড় থেকে নানার বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে রওনা দিলে কলেজ মোড়ে সাগরদিঘী বাসের হেলপার হাফিজুরের সাথে পরিচয় হয়। তিনি কিশোরীকে তার নানার বাড়ি পৌঁছে দেয়ার কথা বলে সাগরদিঘীর কাইলার মা নামে পরিচিত জনৈক মহিলার কাছে নিয়ে যায়। ওই মহিলা কৌশলে কিশোরীকে ৮ যুবকের কাছে পাশের সখীপুর উপজেলার সীমান্তে পাঠিয়ে দেয়। এরপর ওই দিন বিকেলে সেখান থেকে নিয়ে এসে সাগরদিঘী বাজারে অবস্থিত স্থানীয় হেলাল মেম্বারের ছেলে মজনু মিয়ার বাসায় কিশোরীকে চার দিন আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। শনিবার বিকালে ওই কিশোরী পালিয়ে যাওরার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরে তার ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন গিয়ে ঘটনা জানতে পেরে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই তিন ধর্ষককে আটক করে।
এদিকে রোববার সকালে ওই কিশোরী বাদি হয়ে ঘাটাইল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করে। মামলার অন্য অভিযুক্তরা হলো- সাঘরদিঘী এলাকার মৃত হেলাল মেম্বারের ছেলে মজনু মিয়া(২৬), আব্দুর রহমান মাস্টারের ছেলে সবুজ মিয়া (২৫), সোহরাব হোসেনের ছেলে উজ্জল হোসেন(২৪), আব্দুল কাদেরের ছেলে শাহজাহান(২৬) ও মৃত শরিফুল সুরুজের স্ত্রী কাইলার মা(৪৫)।
এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামাল হোসেন জানান, ধর্ষিতা কিশোরী বাদি হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছে। তিন ধর্ষককে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

ব্রেকিং নিউজঃ