ঘাটাইলে অনুষ্ঠিত হলো পূণ্য স্নান, পুজার্চ্চনা ও বারুনী মেলা

197

আব্দুল লতিফ, ঘাটাইল ॥
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার তীর্থস্থান ঐতিহ্যবাহী সাগরদিঘীতে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও অনুষ্ঠিত হয়েছে সনাতন হিন্দু ধর্মাবল্বীদের পূণ্য স্নান, পুজার্চ্চনা ও বারুনী মেলা। বুধবার ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে এ উৎসব। পাপকে বিষর্জন দিয়ে মুক্তি পেতে পূণ্য স্নানে অংশ নিয়েছেন টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন জেলার হিন্দু সম্প্রদায়ের হাজার হাজার ভক্তবৃন্দ। উৎসবকে কেন্দ্র করে সনাতন হিন্দু ধর্মাবল্বী হাজার হাজার নারী-পুরুষের আগমন ঘটে। উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রশসনের পক্ষ হতে নেয়া হয় নিরাপত্তামুলক ব্যবস্থা।
সেই আদিকাল থেকেই নদী, পুকুর, দিঘীর জল হিন্দুধর্মালম্বীদের কাছে পূর্ণ পবিত্র। টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার তীর্থস্থান সাগরদিঘীতে বুধবার (৩০ মার্চ) ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে স্নান উৎসব। সনাতন হিন্দু ধর্মালম্বী ভক্তগণের বিশ্বাস দীঘির জলে স্নান খুবই পূণ্যের। এ স্নানে ব্রহ্মা সন্তুষ্ট লাভ করে পাপ মোচন হয়। এই বিশ্বাসের অন্ততুষ্টি নিয়েই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অসংখ্য ভক্তবৃন্দরা এসেছেন ঘাটাইলের সাগরদিঘী ঘাটে। উৎসব প্রানবন্ত করতে বসে নাগরদোলা, পুতুল নাচ, আর পরসা বসিয়েছে শাখা সিদুর, তালপাখা, শিশু খেলনা, প্রসাধনী, মিষ্টির দোকানের। গৃহস্থলীর সব কিছুই মিলছে এই মেলায়। এ পূণ্য স্নানে সাগরদিঘী ঘাটের প্রায় ১ বর্গ কি.মি. তীর্থ স্থানটিতে বিভিন্ন বয়সির ধর্মপ্রাণ ও পূর্ণার্থী মানুষের কোলাহলে মুখরিত হয়ে ওঠে। স্নান সম্পন্ন করার পর কেন্দ্রীয় মন্দিরে পূজা অনুষ্ঠিত হবার পর প্রসাদ বিতরণ করা হয়েছে। পুর্ণাথীরা জানান, দিঘীর জল অপরিস্কার থাকায় তাদের স্নান করতে সমস্যা গয় প্রতিবছরই।
স্নান উৎসব কমিটির সাধারণ সম্পাদক রনজিত চন্দ্র দাস ও স্থানীয়রা টিনিউজকে জানান, অনেক বছর আগে থেকে এই দিঘীতে চৈত্র মাসের মধুকৃষ্ণ ত্রয়োদশী তিথীতে পূণ্য স্নান, পুজার্চ্চনা ও বারুনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এই দিঘীটি সনাতন হিন্দু ধর্মাবল্বীদের তীর্থের কাজে ব্যবহৃত হওয়ায় দিঘীটি উৎসবের জন্য স্থায়ী বরাদ্দ দেয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবী জানান উৎসব কমিটির নেতৃবৃন্দ।

 

 

 

 

ব্রেকিং নিউজঃ