গোপালপুরে ঝিনাই নদীতে বাঁশের সাঁকোতে ঝুকিতে পারাপার গ্রামবাসীর

45

স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ঝিনাই নদীর উপর বীজ না থাকায় লক্ষাধিক মানুষ দুর্ভোগের স্বীকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা স্থায়ী সমাধানের জন্য ব্রীজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা আজও বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে চরম দুর্ভোগে নদী পারাপার হচ্ছেন শিক্ষার্থীরাসহ গ্রামবাসী। এদিকে অতিদ্রুত ব্রীজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার আলমনগর গ্রামে ঝিনাই নদীর উপর ব্রীজ না থাকায় নগদাশিমলা ও আলমনগর ইউনিয়নের মানুষের দুর্ভোগ নিত্যদিনের। বিশেষ করে জামতৈল, গোলাবাড়ী, পুবনমালী, বিলগা ও আলমনগর ইউনিয়নের গ্রামগুলো। এখানে ব্রীজের জন্য এসব গ্রামের মানুষরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি করেছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, দুইশ’ বছরের পুরানো এ ঘাটে এলজিইডি কোটি টাকার ব্রীজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়। সে সময় ঘটা করে ব্রীজের ভিত্তিপ্রস্তব স্থাপন করা হয়। কিন্তু রাজনৈতিক বিরোধীতার দরুণ জনবহুল এই ঘাট বাদ দিয়ে এক কিলো উজানে রাস্তাবিহীন নির্জন স্থানে ২০০০ সালে নির্মিত হয় ব্রীজ।

 

যে কারণে প্রতিবছর বর্ষাকাল এ এলাকার বিশেষ করে জামতেল এলাকার মানুষ বহু কষ্টে জীবনযাপন করছে। স্কুলগামী ছোট ছেলে-মেয়েরা বছরের ছয়মাস নদীপাড় হয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে লেখাপড়ার সুযোগ পায়। আর বর্ষাকালে নদী পারাপার না হতে পেরে বিদ্যালয় যাওয়া আসা বন্ধ থাকে। একটি ব্রীজের অভাবে শত শত বছর ধরে ঘাটপাড়বাসীদের নিদারুণ কষ্ট দেখার যেনো কেউ নেই।

গোপালপুর উপজেলার চেয়ারম্যান ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু টিনিউজকে বলেন, গোপালপুর উপজেলায় বৈরারনদী এবং ঝিনাই নদী এই দুটো নদী উপজেলার মাঝখান দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। ইতিমধ্যে আমরা এ নদীর জনবহুল গুরুত্বস্থানে ব্রীজ করতে সক্ষম হয়েছি। যেটি বাকী আছে সেগুলো দ্রুত করা হবে।

গোপালপুর উপজেলা এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী আবুল কামাল আজাদ টিনিউজকে বলেন, এরই মধ্যে সেখানে ব্রীজ নির্মাণের ব্যাপারে প্রস্তাবনা করা হয়েছে বলে জানালেন উপজেলা প্রকৌশলী। এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

ব্রেকিং নিউজঃ