গম জাত প্রদর্শনী উৎপাদন প্রযুক্তি ও বীজ সংরক্ষণ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

89

1স্টাফ রিপোর্টারঃ
দেশে গমের চাহিদা ৪০ থেকে ৪৫ লাখ মেট্রিক টন হলেও উৎপাদিত হচ্ছে ৪ লাখ ৩৬ হাজার হেক্টর জমিতে প্রায় ১৩ দশমিক ৪ লাখ টন। ৩০-৩৫ লাখ টন ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। হেক্টর প্রতি গড় ফলন ৩ দশমিক শুন্য ৯ টন। গম আবাদে যেখানে হেক্টর প্রতি পানি লাগে ৩০-৩৫ সে.মি.। সেখানে ধান আবাদে লাগে ১৬৫ সে.মি.। গম চাষ করে ধানের কাছাকাছি ফলন পাওয়া যায়। ধানের চেয়ে গমের দাম বেশি, এজন্য লাভও বেশি হয়।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএআরআই) এর উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. বজলুর রহমান এসব কথা বলেছেন। রোববার সকালে টাঙ্গাইল খামারবাড়ি মিলনায়তনে দিনব্যাপী গম জাত প্রদর্শনী, উৎপাদন প্রযুক্তি ও বীজ সংরক্ষণ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, চালে যেখানে ৭ ভাগ প্রোটিন, সেখানে গমে রয়েছে ১২ ভাগ। তাছাড়া নতুন জাতের গমের হেক্টও প্রতি ফলন ৪ থেকে ৫ টন।
প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মশালার উদ্বোধন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের উপ-পরিচালক আবুল হাশিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোফাজ্জল হোসেন, বিএআরআই টাঙ্গাইল ওএফআরডি’র উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আশিকুর রহমান ও গাজীপুরের আরডব্লিউআরসি’র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নাজমা আক্তার। কর্মশালায় জেলার ৬টি উপজেলার ৬ জন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও ১২ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

ব্রেকিং নিউজঃ