কালিহাতীতে স্কুলে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ

144

কালিহাতীস্টাফ রিপোর্টারঃ

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গোপালদিঘি কেপি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। সহকারী শিক্ষক প্রার্থী মেধাবী ছাত্রী আসমা আক্তার প্রতারনার শিকার হয়ে বিচার প্রার্থনা করছে।
জানা যায়, উপজেলার চাকলান গ্রামের অসহায় গরীব পিতা আফাজ উদ্দিনের মেয়ে আসমা আক্তার অতি কষ্টে করটিয়া সা’দত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে অর্থনীতি বিষয়ে প্রথম বিভাগে মার্ষ্টাস পাস করার সাথে সাথে বাড়ীর পাশে গোপালদিঘি কেপি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের আশ্বাসে এবং চার হাজার টাকা প্রাথমিক বেতন ধরে অলিখিত নিয়োগ দেয় অত্র বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদ। তিন বছর সফলতার ও সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করে আসছিল। কিন্তু অর্থলোভী প্রধান শিক্ষক শাহআলম ও পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আফজাল হোসেন মোল্লা আসমাকে ডেকে স্থায়ী নিয়োগের জন্য ৮ লক্ষ টাকা উৎকোচ দাবী করেন। চাকুরী হারার ভয়ে গরীব পিতা জায়গা জমি বিক্রি করে ৫ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা দেয়। পরে আরো দুই লক্ষ ৭০ হাজার টাকা দাবী করলে সে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে দূর্নীতিবাজ সভাপতি গোপনে আরেক প্রার্থী মনির হোসেনের সাথে যোগ-সাজসে ১৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সুকৌশলে  পরীক্ষায় প্রথম দেখিয়ে নিয়োগ প্রদান করলে এলাকাবাসী ফুসে উঠে।
এ ব্যাপারে স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষোভ মিছিল করলে তাদেরকে জোর করে একটি রুমে এক ঘন্টা আটকে রাখে। বিচার চেয়ে আসমা আক্তার গত ২৮ অক্টোবর টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার, জেলা শিক্ষা অফিসার ও কালিহাতী উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেও কোন সুরাহা পায়নি। ভোক্তভোগী আসমা আক্তার জানায়, স্কুলে চাকুরী করার আশায় সময় কাটালাম, সরকারী চাকুরীর বয়স চলে গেলো। অথচ স্কুলের নিয়োগ পেলাম না টাকাও ফেরৎ পেলাম না। এখন সুবিচারের আশায় মানুষের ধারে ধারে ঘুরছি।

ব্রেকিং নিউজঃ