কালিহাতীতে পরকীয়ার টানে স্বামী ও দুই সন্তান ফেলে প্রেমিককে নিয়ে সংসার বাঁধলেন শাপলা

102

porokia_213557602কালিহাতী সংবাদদাতাঃ
পরকীয়ার টানে স্বামী ও দুই সন্তান ফেলে প্রেমিককে নিয়ে সংসার বাঁধলেন শাপলা বেগম নামে এক গৃহবধু। নগদ টাকা ঘরের মালামাল ও স্বর্ণলংকার নেয়ায় দাবীতে স্বামীর দায়ের করা মামলার পাল্টা মামলা দিয়ে হয়রানী করছে স্বামী হারুন অর রশিদসহ পরিবারের সকলকে। হয়রানীমুলক মামলা থেকে সন্তানকে বাঁচাতে দাঁরে দাঁরে ঘুরছেন হারুনের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হানিফ ও তার পরিবার।
মামলা সুত্রে জানা যায়, কালিহাতী উপজেলার ভাঙ্গাবাড়ী গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হানিফ (৬৫) তার ছেলে হারুন অর রশিদকে ১৫ বছর পূর্বে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী থানার শাপলা আক্তারের সাথে বিয়ে করান। বিয়ের পর তাদের ঘরে শাকিব (১৩) ও রায়েজিদ (১০) নামে দুইটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। হারুন বিদেশে থাকাবস্থায় শাপলা বেগম একই উপজেলার ফুলতলা গ্রামের জমশের আলীর ছেলে আলতাফ হোসেনের সাথে পরকীয়া প্রেমে পড়েন। বিদেশ থেকে আসার পরও শাপলাকে পরকীয়া প্রেম থেকে সড়াতে পারেননি স্বামী হারুন অর রশিদ। দুই সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে সব সহ্য করে হারুন গাজীপুরে কোনাবাড়ি একটি গার্মেন্টসে চাকুরি নেন। এরই ফাঁকে স্বামী ও দুই সন্তানকে ছেড়ে শাপলা আক্তার পরকীয়া প্রেমিক আলতাফ হোসেনের সাথে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখে। প্রেমে অন্ধ হয়ে শাপলা গত বছর ২৮ অক্টোবর স্বামী হারুন অর রশিদকে তালাক দিয়ে প্রেমিক আলতাফ হোসেনকে নিয়ে উদাও হয়। পরে হারুন জানতে পারে শাপলা আক্তার আলতাফ হোসেনের সাথে ঘর সংসার করছে। এদিকে হারুনের বিদেশে থেকে জমানো নগদ ২ লাখ ৯৭ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার ও আসবাবপত্র নেয়ার অভিযোগে শাপলা ও তার প্রেমিক আলতাফকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন হারুন। মামলার বিষয়টি দুই গ্রামের লোকজন বসে কয়েকবার মীমাংসার উদ্যোগ নেয়। এর মধ্যেই বিভিন্ন অপকর্ম ও মামলা থেকে বাঁচতে নিজের ঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হারুন অর রশিদ ও হাসেম আলীকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন আলতাফ হোসেনের পিতা জমশের আলী।
এদিকে পরকিয়ার টানে ঘর ছাড়া শাপলা বেগমের অত্যাচার থেকে দুই ছেলে হারুন অর রশিদ ও হাসেম আলীকে বাঁচাতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হানিফ দাঁরে দাঁরে ঘুরছেন।

ব্রেকিং নিউজঃ