Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

সাবেক এমপি রানার জামিন বহাল ॥ মুক্তিতে বাধা নেই

শেয়ার করুন

আদালত সংবাদদাতা ॥
টাঙ্গাইলে যুবলীগের দুই নেতা হত্যা মামলায় ঘাটাইল আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আমানুর রহমান খান রানাকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ করে সোমবার (৮ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ফলে তার জামিনে মুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. বশিরউল্লাহ। রানার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী। সঙ্গে ছিলেন রুশো মোস্তফা। পরে ড. বশির উল্লাহ বলেন, হাইকোর্টের দেয়া জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।
গত (১৯ জুন) রানার জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল শুনানি শেষে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে জামিন দেন।
হাইকোর্টের জামিনাদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে গত (২০ জুন) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারাপতি নূরুজ্জামান গত (১ জুলাই) পর্যন্ত তার জামিন স্থগিত করেন। ওইদিন আরও এক সপ্তাহ স্থগিত করেছিলেন আপিল বিভাগ।
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদকে বিগত ২০১৩ সালের (১৮ জানুয়ারি) গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তৎকালীন এমপি রানা বিগত ২০১৬ সালের (১৮ সেপ্টেম্বর) আত্মসমর্পণ করলে তাকে কারাগারে পাঠান টাঙ্গাইলের বিচারিক আদালত।
এ মামলায় বিগত ২০১৭ সালের (৩ ফেব্রুয়ারি) রানা ও তার তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। এরপর একই বছরের (৬ সেপ্টেম্বর) দণ্ডবিধির ৩০২/১২০/৩৪ ধারায় এমপি রানা ও তার তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু করেন আদালত। বর্তমানে মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। এ মামলায় গত (১ এপ্রিল) আপিল বিভাগ তার জামিন বহাল রেখেছেন।
অপরদিকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা শামীম ও মামুন বিগত ২০১২ সালের (১৬ জুলাই) তাদের বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল করে টাঙ্গাইল শহরে এসে নিখোঁজ হন। ঘটনার পরদিন (১৭ জুলাই) শামীমের মা আছিয়া খাতুন এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এক বছর পর বিগত ২০১৩ সালের (৯ জুলাই) নিখোঁজ মামুনের বাবা টাঙ্গাইল আদালতে হত্যা মামলা করেন। পরে তদন্ত করে পুলিশ ওই বছর (২১ সেপ্টেম্বর) মামলাটি তালিকাভুক্ত করে।
এ মামলায় গ্রেফতার হওয়া টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার খন্দকার জাহিদ গত বছর (১১ মার্চ), শাহাদত হোসেন (১৬ মার্চ) এবং হিরণ মিয়া (২৭ এপ্রিল) আদালতে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তারা উল্লেখ করেন, এমপি আমানুর রহমান খান রানার দিক-নির্দেশনায় যুবলীগ নেতা শামীম ও মামুনকে হত্যা করে মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছিল।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ