Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

সখীপুর-বাটাজোর সড়কে ঝঁকিপূর্ণ বেইলি ব্রীজ

শেয়ার করুন

মোস্তফা কামাল, সখীপুর ॥
টাঙ্গাইলের সখীপুরে কীর্ত্তনখোলা ধুমখালী এলাকায় বেইলী ব্রীজের পাটাতন ভেঙ্গে গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রায় সব ধরণের যান চলাচল প্রায় বন্ধ রয়েছে। সখীপুর-বাটাজোর সড়কে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী ও মালবাহী গাড়ী চলাচল করে। সখীপুর থেকে ময়মনসিংহ ও ঢাকা যাতায়াতের জন্য এ সড়কটি ব্যবহৃত হয়।
জানা যায়, কীর্ত্তনখোলা বাজারের পশ্চিম পাশে বেইলি ব্রীজটি ভেঙ্গে পড়ায় মালবাহী গাড়ী ও হাজার হাজার যাত্রীদের চলাচলে ব্যাঘাত ঘটছে। স্থানীয় উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তর থেকে বেইলি ব্রীজটি মেরামত করা হলেও যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে দুই তিন মাস চলাচল করতে পারলেও বেইলি ব্রীজটির পাটাতন ভেঙ্গে যানবাহন চালাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। অনুপযোগী হওয়ার পরও ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করেছে। ফলে যেকোন মূহুর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে।
ওই সড়কে নিয়মিত চলাচলকারী স্থানীয় কয়েকজন টিনিউজকে জানান, প্রায় ২০/২৫ বছর আগে ব্রীজটি নির্মাণ হয়। গত ২/৩ বছর ধরে ব্রিজটির অবস্থা খুবই খারাপ, এটি বছরে কয়েকবার মেরামতও করা হয়। অতি দ্রুত বেইলী ব্রিজের মেরামত বা এর পরিবর্তে পাকা ব্রিজ নির্মাণ না করলে বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবী বেইলি ব্রীজটি সংস্কার না করে স্থায়ী ব্রীজ নির্মান করলে বেইলি ব্রীজের পাটাতন ভাঙ্গার সমস্যা থাকবে না। সখীপুর, ঘাটাইল, কালিহাতী, মধুপুর এলাকায় প্রতি বছর উৎপাদিত মৌসুমী শাক-সবজি, আম, কাঁঠাল, কলা, আনারসসহ বিভিন্ন দ্রব্যাদি এ সড়কে পরিবহন করা হয় এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে এ সড়কটি ব্যবহার করে ঢাকাসহ বৃহত্তর ময়মনসিংহের বিভিন্ন জেলায় যাতায়াত করে।
এ বিষয়ে সখীপুর উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাহাদ কুদ্দুস টিনিউজকে বলেন, ২৯ মিটার বেইলি ব্রীজটি মেরামতেরে জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আপাতত মেরামতের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ