শেখ হাসিনা সেতুর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে স্বপ্ন পুরণ হচ্ছে নাগরপুরসহ ছয় উপজেলাবাসীর

শেয়ার করুন

রাম কৃষ্ণ সাহা, নাগরপুর থেকেঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বৃহস্পতিবার (১১অক্টোবর) টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার কেদারপুর ঘাটে ধলেশ্বরী নদীর উপর নব নির্মিত জননেত্রী শেখ হাসিনা সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। সকাল ১০টায় গন ভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ সেতুটির উদ্বোধন করবেন। টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সভা কক্ষে এ সময় উপস্থিত থাকবেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
এদিকে, বুধবার (১০অক্টোবর) সন্ধায় নবাগত জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে নির্মিত এ সেতুটি পরিদর্শন করেন। এসময় নাগরপুর উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা আসমা শাহিনসহ উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, টাঙ্গাইলের নাগরপুর, মির্জাপুর, দেলদুয়ার, পাবনার বেড়া, সিরাজগঞ্জের চৌহালি ও মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ছিল নাগরপুরের মোকনা ইউনিয়নের কেদারপুর ঘাটে ধলেশ্বরী নদীর উপর একটি সেতু নির্মাণ করার। এখানে একটি সেতু নির্মার করার বিষয়ে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিও ছিল। প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য সরকার সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, নাগরপুর-মির্জাপুর ভায়া মোকনা স্থানীয় সড়কের কেদারপুর ঘাট নামক স্থানে ধলেশ্বরী নদীর উপর ৫২০.৬০ মিটার পিসি গার্ডার সেতু (দ্বিতীয় ধলেশ্বরী সেতু) প্রকল্পটি স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ২০১৪ সালের ১৬ অক্টোবর কার্যাদেশ পেয়ে সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটির নির্মান ব্যয় হয়েছে ৫৫ কোটি টাকা। সেতুটির নাম দেযা হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনা সেতু।
সেতুটি উন্মুক্ত হলে টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর, মির্জাপুর, দেলদুয়ার, পাবনা জেলার বেড়া, সিরাজগঞ্জের চৌহালি ও মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত সুগম হবে। রাজধানী ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগে ৫০-৬০ কিলোমিটার সড়কপথ সাশ্রয় হবে। একইসাথে এ অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, অর্থনীতি সহ জীবনমানের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হবে। এতে তাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দুর হবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

ব্রেকিং নিউজঃ