মোজাম্মেল-মনিরের কর্মীসমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক মারপিট

শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইলে জাতীয় পার্টির মনোনয়নকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল সদর-৫ সংসদীয় আসনে জাপার দুই মনোনয়ন প্রত্যাশী মোজাম্মেল হক এবং নবাগত পীরজাদা মনিরের কর্মীসমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে করে জেলা জাতীয় পার্টির মনোনয়ন প্রত্যাশী এই দুই প্রার্থীর দন্ড প্রকাশ্য রুপ দিয়েছে।
জানা যায়, এতোদিন বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকান্ডে মতবিরোধ থাকলেও সরাসরি কোন সংঘাতে জড়িয়ে পড়েনি তারা। কিন্তু গত শনিবার (২০ অক্টোবর) ঢাকায় অনুষ্ঠিত জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের সম্মিলিত জাতীয় জোটের মহাসমাবেশে শোডাউন করাকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলের মনোনয়ন প্রত্যাশী দুই প্রার্থী মোজাম্মেল হক এবং নবাগত পীরজাদা মনিরের কর্মীসমর্থকরা এরশাদের সামনে ও কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে সভাস্থলেই প্রকাশ্যে বিবাদে জড়িয়ে পরে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের সম্মিলিত জাতীয় জোটের মহাসমাবেশ শুরু হওয়ার আগেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে টাঙ্গাইল জেলা জাতীয় পার্টির এই দুই নেতার কর্মীসমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটায় সকলেই হতবাক হয়ে যান। এছাড়া সমাবেশস্থলে সাথে করে নিয়ে আসা লাঙল ও চেয়ার ছোঁড়াছুড়ি এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।
শনিবার (২০ অক্টোবর) সকাল ১০টায় শোডাউন করাকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলের মনোনয়ন প্রত্যাশী মোজাম্মেল হক এবং নবাগত পীরজাদা মনিরের কর্মীসমর্থকরা বিবাদে জড়ায়। স্লোগান-পাল্টা স্লোগান থেকে হাতাহাতির পর এক পর্যায়ে একে অপরকে লাঙল ও চেয়ার ছুঁড়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই গ্রুপের বেশকয়েকজন কর্মীসমর্থকরা আহত হন। ভয়ে ছোটাছুটি শুরু করেন উপস্থিত জনসভাস্থলে আসা নেতাকর্মীরা। তাদের থামাতে মঞ্চ থেকে বারবার আহ্বান করা হয়। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়। পরে মঞ্চের নির্দেশনায় মোজাম্মেল হক এবং পীরজাদা মনির মাঠে নেমে আসলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সামনে এমন ঘটনায় টাঙ্গাইল জেলা জাতীয় পার্টির কর্মীসমর্থকরা হতবাক ও বিক্ষুব্ধ হয়েছে। জেলা জাতীয় পার্টির অনেক নেতাকর্মীরা টিনিউজকে জানান, এমন ঘটনা খুবই দুঃখজনক। জাতীয় পার্টি কখনও এমন রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। পার্টিতে হটাৎ করেই টাকার জোড়ে উড়ে এসে জুড়ে বসেছে পীরজাদা মনির। তার কারণেই দলে দন্দ-সংঘাত শুরু হয়েছে। জাতীয় পার্টির দূসময়ের কোন নেতাকর্মীকে সে চিনে না। সকলকেই টাকা দিয়ে তার পকেটে পুড়তে চাচ্ছে। এমন নেতা জাতীয় পার্টিতে কোন প্রয়োজন নেই।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ