Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

মির্জাপুর দুই স্কুলছাত্রীর শ্লীলতাহানীর ঘটনা ভিন্নখাতে নেয়ায় অভিযোগ

শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার, মির্জাপুর ॥
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কলেজ অধ্যক্ষ কর্তৃক দুই স্কুল ছাত্রীর শ্লীলতাহানীর অভিযোগ ভিন্নখাতে নিতে বাদীকে চাপ প্রয়োগ করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (১২ জানুয়ারি) রাতে মির্জাপুর পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শহীদুর রহমান শিপন তার লোকজন নিয়ে বাদীর বাড়িতে গিয়ে এ স্বাক্ষর নেন বলে অভিযোগে জানা গেছে।
এদিকে জোরপূর্বক সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়েছে নেয়ার বিষয়টি লিখিতভাবে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে বলে বাদী রাশেদা বেগম জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত (২০ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে কলেজ সংলগ্ন কয়েকজন শিশু মির্জাপুর মহিলা কলেজ মাঠে ব্যাডমিন্টন খেলতে যায়। কলেজের অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ মাঠে থাকা কয়েকজন মেয়ে শিশুকে কলেজ দেখানোর কথা বলে ডেকে ভবনের একটি রুমে নিয়ে যান। সেখানে তাদের বিস্কুট খাইয়ে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির ওই দুই ছাত্রীকে একটি কক্ষে নিয়ে সবাইকে বের করে দেন। পরে দরজা আটকিয়ে ওই দুই ছাত্রীকে জড়িয়ে ধরে তাদের স্পর্শকাতর অঙ্গে হাত দিতে থাকেন। এ সময় তারা চিৎকার করলে ওই দুই ছাত্রীর মা স্থানীয়দের নিয়ে তাদের উদ্ধার করে।
খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা পুলিশ গিয়ে কলেজ অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় টাঙ্গাইলের জেলা জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলামের নির্দেশে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মালেক ঘটনা তদন্তে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেন। কমিটি আগামীকাল (১৫ জানুয়ারি) সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করবে বলে বাদীদের চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন।
এদিকে এ ঘটনার পর থেকে মির্জাপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ ও তার সহযোগিরা অভিযোগ তুলে নিতে বাদীদের নানাভাবে ভয়ভীতি ও চাপ প্রয়োগ করে আসছে। শনিবার (১২ জানুয়ারি) রাতে কাউন্সিলর শহীদুর রহমান শিপন শ্লীলতাহানীর শিকার এক ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে তার নিরিহ বাবা-মাকে ভয়ভীতি ও চাপ প্রয়োগ করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেন বলে ছাত্রীর মা রাশেদা বেগম লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।
স্বাক্ষরকৃত সাদা কাগজ ব্যবহার করে শ্লীলতাহানির ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাদী রাশেদা বেগম।
এ ব্যাপারে কাউন্সিলর শহীদুর রহমান শিপনের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন নাম্বারে বার বার যোগাযোগ করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মালেক অভিযোগ এখনও হাতে না পাওয়ার কথা জানিয়ে টিনিউজকে বলেন, বিষয়টি তদন্ত কমিটিকে অবহিত করার পরামর্শ দেন।
মির্জাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মিজানুল হক টিনিউজকে বলেন, এ ধরনের অভিযোগ প্রমানিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ