Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

মির্জাপুরে ১৫ পরিবারে রহস্যময় গায়েবি আগুন আতঙ্ক

শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার,মির্জাপুরঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি গ্রামের ১৫টি পরিবার রহস্যময় গায়েবি আগুন আতঙ্কে ভুগছেন। যে কোন সময় আগুন লেগে তাদের ঘর-বাড়ি পুড়ে ছারখার হয়ে সর্বশান্ত হবে এ চিন্তায় তারা থাকেন উদ্ভিগ্ন। বন্ধ হয়ে হয়ে গেছে তাদের দিনের কাজকর্ম রাতের ঘুম।
বৃহস্পতিবার (৯নভেম্বর) দুপুরে মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের ধেরুয়া গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।
এদিকে ১৫টি পরিবারে আগুন আতঙ্ক ছড়ানোর সাথে এক স্থানীয় এক কবিরাজ জড়িত বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রামটিতে গিয়ে দেখা গেছে খন্দকার মতিয়ার রহমান, তোফাজ্জল হোসেন , আব্দুল করিম ও সুজন মিয়াসহ বেশ কয়েকটি পরিবারের বিছানার কাঁথা বালিশ লেপ তুষক কাপড়-চোপড়সহ বিপুল পরিমাণ মালামাল ঘর থেকে বের করে রহস্যময় আগুনের ভয়ে বাড়ির উঠানে রাখা হয়েছে।
জানা গেছে গত রবিবার সকাল ১০টায় রওশনারা বেগম নামে এক গৃহবধূ দেখতে পান খন্দকার মতিয়ার রহমানের বারান্দায় দড়িতে ঝুলানো কাপড় চোপড় আগুনে পুড়ছে। এরপর থেকে প্রতিদিন চার পাঁচ বার ঘরে রক্ষিত কাপড় চোপড় ও বিছানায় হঠাৎ আগুন জ্বলে উঠছে। কে বা কিভাবে আগুন লাগে তা কেউ দেখতে পাননা। পবিারের সদস্য তোফাজ্জল হোসেন ও রওনারা জানান এভাবে পাঁচদিন যাবত পরিবারগুলোতে গায়েবি আগুন আতঙ্ক বিরাজ করছে।
আগুন আতঙ্কের কারণে পরিবারগুলোর লোকজন কর্মহীন দিন যাপন এবং নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
গোড়াই ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত আসনের সাবেক সদস্য সেলিনা খন্দকার বলেন, এই রহস্যময় গায়েবি আগুনের ভয়ে আমরা গ্রামের মানুষ আতঙ্কে আছি। এদিকে এই রহস্যময় আগুন দেখতে প্রতিদিন ধেরুয়ার খন্দকার পাড়ায় শত শত লোক ভিড় জমাচ্ছেন।
আতঙ্কিত পরিবারের সদস্য তোফাজ্জল হোসেন বলেন, আগুন জ্বলে উঠার পর প্রথমে আমাদের বাড়ির এক শিশু দেখতে পান। পরে সবাই এসে আগুন নেভান। দুপুরে ওই বাড়িতে অবস্থানের সময় শিশুটির পরনের প্যান্টের পকেটে একটি গ্যাস ম্যাচ লাইট পাওয়া গেছে। এসময় শিশুটি দুই সংবাদ কর্মীকে বলে এক হুজুর কবিরাজ তাকে এক হাজার টাকা দিয়ে গোপনে আগুন লাগাতে বলেছে। এ নিয়ে গ্রামটিতে নানা গঞ্জন শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ব্যপারে মির্জাপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) একেএম মিজানুল হকের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি জানার পর আমি একজন অফিসার পাঠিয়েছিলাম কিন্তু হঠাৎ আগুন জ্বলে উঠার কোন ক্লু পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ