মির্জাপুরে রণজিৎ হত্যার মূল আসামী সানোয়ারকে গ্রেফতার

শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এনজিও কর্মী রণজিৎ রায় (৩৫) হত্যার মূল আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের দুল্যা মুনসুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে শনিবার (২৩ নভেম্বর) গ্রেফতারকৃত সানোয়ার হোসেন (৩০) টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি শেষে আদালতের বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মূলত নিজের স্ত্রীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পাওয়ায় এনজিও কর্মী রণজিৎ রায়কে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বলে আদালতে জবানবন্দিতে জানায় সানোয়ার।
রোববার (২৪ নভেম্বর) রাতে মির্জাপুর থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান টিনিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ টিনিউজকে আরও জানায়, গত মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) ১২টার দিকে এনজিও কর্মী রণজিৎ রায় সোনোয়ারের বাড়িতে কিস্তির টাকা আদায় করতে যায়। এ সময় সানোয়ার রণজিৎকে একটি বইয়ের কিস্তির টাকা দেয়ার পর আরেকটি বইয়ের কিস্তির টাকা ঘাটতি দেখতে পায়। পরে টাকা সংগ্রহের জন্য এনজিও কর্মী রনজিৎকে বাড়িতে বসিয়ে রেখে বাইরে যায় সানোয়ার। পরবর্তীতে টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরে আসলে সানোয়ার ঘরের ভিতর তার স্ত্রীর সাথে এনজিও কর্মী রণজিৎ রায়কে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পায়। আপত্তিকর অবস্থায় দেখে সানোয়ারের মাথা ঠিক থাকেনি। পরে রণজিৎকে ঘরের মধ্যে শ্বাসরোধ করে গলায় রশি পেচিয়ে হত্যা করে সানোয়ার। গভীর রাতে লাশটি জয়নাল মিয়ার বাড়ির সামনে ব্রিজের নিচে ফেলে দেয় সে। পরদিন বুধবার (২০ নভেম্বর) সকালে উপজেলার দুল্যা গ্রামের জয়নাল মিয়ার বাড়ির সামনে ব্রিজের নিচ থেকে রণজিৎ এর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার (এসআই) মিজানুর রহমান টিনিউজকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সানোয়ারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ঘাতক ছানোয়ারের ঘর থেকে নিহত রণজিৎ এর জুতা, মোবাইল ফোন, মানিব্যাগসহ নগদ ১৩ হাজার ৫শ’ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন সানোয়ারের স্ত্রী ও মা। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ