Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

মির্জাপুরে ভাওড়া স্কুলের গাছ বিক্রির অভিযোগ ॥ এলাকাবাসীর ক্ষোভ

শেয়ার করুন

এরশাদ মিঞা, মির্জাপুর ॥
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ভাওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের বিরুদ্ধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির চারটি বিশাল আকৃতির কড়ই গাছ বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারি বিধি না মেনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই অল্প দামে গোপনে এ গাছ বিক্রি করায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। ওই গাছগুলো বানেজ নামে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী কিনেছেন বলে জানা গেছে।
জানা যায়, সম্প্রতি ভাওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সুপ্রিয়া সাহা ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা গোপনে বিদ্যালয়ের বাইরে বিদ্যালয় ঘেষে সুশোভিত বড় বড় ৪টি কড়ই গাছ বিক্রির পরিকল্পনা করেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের কোনো অনুমতি না নিয়েই তারা গোপনে গাছগুলো অল্প দামে বিক্রি করে দেন। পরে কাঠ ব্যবসায়ী গাছগুলো কাটতে আসলে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে।
ভাওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও ভাওড়া গ্রামের বাসিন্দা আবুল হোসেন, সাবেক সহকারি শিক্ষক জামাল উদ্দিন মিয়া, তোফাজ্জল হোসেন, দেওয়ান আক্কাছ, নুরুল হক, আওলাদ হোসেন টিনিউজকে জানান, বিদ্যালয় ভবন ও বিদ্যালয় সংলগ্ন পশ্চিমপাশে বাজারের একাংশে ছায়া দেয়া গাছগুলো বিনা কারণে বিক্রি করে দেয়ায় বিস্মিত তারা। প্রতিটি গাছের বয়স কমপক্ষে ৪০ বছর। গাছগুলো বিনা কারণে গোপনে কম টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। গাছগুলো বিক্রি হলো অথচ আমরা গ্রামবাসী কেউ জানলাম না।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রওশনারা বেগম টিনিউজকে জানান, আমি ময়মনসিংহ ছিলাম। গাছ বিক্রির বিষয়টি আমার জানা ছিল না।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সুপ্রিয়া সাহার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি টিনিউজকে বলেন, কে বা কারা গাছ বিক্রি করেছেন তা আমার জানা নেই।
বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য শফিকুল ইসলাম ফনির সঙ্গে কথা হলে তিনি টিনিউজকে জানান, গাছের শিকর বিদ্যালয় ভবনের ক্ষতি করছে। তাছাড়া গাছের পাতা ছাদে পড়ে পচে ছাঁদ নষ্ট করছিল। তবে গাছগুলো কে বিক্রি করেছে তা আমি জানি না।
এ বিষয়ে মির্জাপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার আলমগীর হোসেন টিনিউজকে জানান, গাছ বিক্রির বিষয়টি আমার জানা নেই।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মালেক টিনিউজকে বলেন, এভাবে সরকারি গাছ বিক্রি করা যাবে না। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ