Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

মধুপুর বনের জায়গা প্রভাবশালীদের দখলের হুমকি

শেয়ার করুন

হাফিজুর রহমান, মধুপুর ॥
এশিয়া মহাদেশের তৃতীয় বহৎ শাল গজারির বনাঞ্চল টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়াঞ্চল। এ বনের কিছু সংখ্যক জায়গা বর্তমানে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের লোকজন জবর দখল করার হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে আতংঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন উপকার ভোগীরা।
মধুপুর বনের জাতীয় উদ্যানের রাজাবাড়ী বিটের আওতাধীন কিছু বনের জায়গা জবর দখল করার অভিযোগ করেন প্লট উপকার ভোগীরা। উপকার ভোগীরা বনদস্যুদের অত্যাচার ও হুমকির কারণে উচ্ছেদ আতংঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
জানা যায়, বনের জায়গা প্লট উপকার ভোগী মধুপুর উপজেলার বেরীবাইদ ইউনিয়নের উপজাতি বীনেশ হাগিদগ, বিনীতা, সুরেলা রেমা, মোসলেম, শাজাহানসহ আরো অনেকে অভিযোগ করে টিনিউজকে জানান, স্থানীয় ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার কাঠালিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নান খন্দকারের ছেলে বাদশা খন্দকার, বছিরের ছেলে খোরশেদসহ একই উপজেলার পাহাড় পাবইজান গ্রামের হেকিম ম্যানেজারের ছেলে রমজান আলী আকন্দ, কালামের ছেলে সোলাইমান, মৃত নবাব আলীর ছেলে নওশের আলীরা স্থানীয় প্রভাবের কারণে বনের জায়গা জবর দখল করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। মধুপুর বনের জায়গায় রয়েছে সরকারী সামরিক বাহিনী বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ফায়ারিং রেঞ্জ রসুলপুর। এখানকার বিমান বাহিনীর লোকজনদের নাম ভাঙ্গিয়ে বনদুস্যরা বলেন, বন বিভাগ তোদের যে প্লট দিয়েছে সেই প্লট বিমান বাহিনীর লোকজন আমাদেরকে লিজ দিছে। তোরা বনের জায়গা ছেড়ে দে আমরা ফলের বাগান করব। আর যদি জায়গা আমাদেরকে না দেস তাহলে বিঘা প্রতি সাড়ে ৪ হাজার করে টাকা দিতে হবে বলে দাবী করেন। আর যদি টাকা না দেস, তাহলে তোদেরকে ওই জায়গা থেকে জোরপূর্বক তোদেরকে উঠিয়ে দিব। তোদের বনের অফিসাররাও আমাদেরকে ফিরাতে পারবে না।
বনের প্লটের উপকার ভোগী মধুপুর উপজেলার বেরীবাইদ ইউনিয়নের উপজাতিরা টিনিউজকে জানায়, আমরা সরকারের কাছে দাবী জানিয়েছি। আমাদের এই মধুপুর বনের জায়গা যাতে বনদস্যুরা জবর দখল করতে না পারে তারজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হোক।
এ ব্যাপারে মধুপুর বনের জাতীয় উদ্যানের রাজাবাড়ী বিট কর্মকর্তা জহিরুর ইসলাম টিনিউজকে জানান, মধুপুর গড়াঞ্চল একটি ইতিহাস ঐতিহ্য সমৃদ্ধ বনাঞ্চল। মধুপুর বনের প্রাকৃতিক পরিবেশ হারাতে বসেছে এই বনদুস্যদের কারণে। তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। এই বন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষার্থে স্থানীয় প্রশাসন, স্থানীয় এমপি বর্তমান কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাকসহ বন ও পরিবেশ মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ