Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

ভূঞাপুরে যমুনার ভাঙনরোধে উদ্যোগ না নেয়ায় হতাশ মানুষ

শেয়ার করুন

অভিজিৎ ঘোষ, ভূঞাপুর ॥
গেল দুই সপ্তাহ ধরে যমুনা নদীতে অব্যাহতভাবে তীব্র ভাঙন শুরু হলেও ভাঙনরোধে কার্যকর কোন উদ্যোগ গ্রহণ না করায় হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় জনগন। প্রমত্তা যমুনা নদী তার করাল গ্রাসে আঘাত হেনেছে কয়েকশ’ বছরের পুরাতন জনপদে। ভাঙনে ইতোমধ্যে দুইশতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। স্কুল, মসজিদ, মাদরাসা ও মন্দিরসহ কয়েক শতাধিক ঘরবাড়ি ভাঙন কবলে পড়েছে।
সরেজমিনে টাঙ্গাইলের ভুঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কষ্টাপাড়া, খানুরবাড়ি ও ভালকুটিয়া এলাকায় গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে। এতে মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ভেঙে নিয়ে রাস্তায় মানবেতর জীবন যাপন করছে। স্থানীয়রা টিনিউজকে অভিযোগ করে বলেন, বিগত ২০১১ সাল থেকে ভাঙন শুরু হলেও টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ ভাঙন রোধে কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে দিন দিন যমুনা নদীর ভাঙনে গৃহহীন হয়ে নি:স্ব হচ্ছে এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষ।

উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কষ্টাপাড়া গ্রামের সবুর আলী টিনিউজকে জানান, যমুনা নদীতে গত ১৫ দিন ধরে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। স্থানীয় এমপিসহ সরকারি কর্মকর্তারা ভাঙন দেখে গেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন উদ্যোগ নেই। তারা শুধু এসে আশ্বাস দিয়ে চলে যান। খানুরবাড়ি গ্রামের কৃষক ঈমান বেপারী টিনিউজকে জানান, তিন গ্রামের প্রায় দেড় কিলোমিটার জুড়ে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। শুধু ৭৫ মিটার এলাকায় নিম্নমানের জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। এতে ভাঙনরোধে কোন কাজেই আসেনি। ভাঙন কবলিত স্থানীয়রা টিনিউজকে জানান, যেভাবে যমুনা নদীর কষ্টাপাড়া, ভালকুটিয়া ও খানুরবাড়িতে ভাঙন শুরু হয়েছে। তাতে সপ্তাহখানেকের মধ্যে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে এই গ্রামগুলো। গ্রামগুলো রক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও পানিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম টিনিউজকে জানান, উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নে তিনটি গ্রামে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙনে কমপক্ষে ৫০০মিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা দরকার। কিন্তু বড় কোন প্রকল্প অনুমোদন হয় না। তাই ওই এলাকায় ৭৫ মিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। আরো ৭৫ মিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। অনুমোদন হলে কাজ শুরু করা হবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ