Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

ভূঞাপুরে বাসার কাজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ!

শেয়ার করুন

rape420_sm_186944979স্টাফ রিপোর্টারঃ

প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাসার কাজের মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে গত ১২ অক্টোবর টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থানায় মূল আসামী আশিক (২১) ও তার বাবা সেন্টু মোল্লা, মা ইছমত আরা এবং তিন বন্ধু জাকির হোসেন (২০), উজ্জল, বিপ্লব (২৪) ও মালেকের (২৭) নাম উল্লেখ করে ধর্ষিতার মা ধর্ষণ ও মারপিটের মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, উপজেলার অজূর্না গ্রামের ধর্ষণের শিকার মেয়েটির সাথে পার্শ্ববর্তী কুঠিবয়রা গ্রামের সেন্টু মোল্লার ছেলে আশিকের সাথে মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। ধর্ষিত মেয়েটি ঢাকার একটি বাসায় কাজ করতো। পরে সর্ম্পকটি আসতে আসতে দৈহিক সর্ম্পকে রূপ নেয়। আশিক তার বন্ধু জাকির হোসেন, উজ্জল, বিপ্লব ও মালেকের সহায়তায় বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। গত ১১ অক্টোবর আশিক তার বন্ধুর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে পুনরায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে। পরে আশিককে বিয়ে করার জন্য চাপ সৃষ্টি করলে দু’জনের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে বন্ধুদের সহযোগিতায় মেয়েটিকে মারধর করে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এদিকে ধর্ষণ মামলায় একজন আসামীকে গ্রেফতার করলেও পুলিশের দাবী ধর্ষিত মেয়েটির ২২ ধারায় জবানবন্দিতে তার নাম না বলায় কোর্টের মাধ্যমে তিনি জামিনে বের হয়ে আসেন।
ধর্ষিতার বাবা জানায়, তার মেয়ে ঢাকার একটি বাসায় কাজ করতো। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমার মেয়ের সাথে কুঠিবয়ড়া গ্রামের সেন্টু মোল্লার ছেলে আশিকের সাথে সর্ম্পক তৈরি হয়। বিয়ের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে মেয়ের সাথে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে। শুধু তাই নয়, বিয়ের কথা বলায় পিশাচরা মেয়েকে মেরে রক্তাক্ত করেছে। পুলিশ আসামী ধরলেও পরের দিন জামিনে বের হয়ে এসে হুমকি দিয়ে আসছে মামলা তুলে নেয়ার জন্য। দোষীদের কঠোর বিচার ও শাস্তি দাবী করেন তিনি।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভূঞাপুর থানার এসআই তারিকুজ্জামান জানান, মেয়েটিকে মারধর কওে চোখে জখম করা হয়েছে। ধর্ষণের মামলা হওয়ার পরই আসামী গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে। একজনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। পরে সে আদালতের মাধ্যমে জামিনে বের হয়ে আসে। বাকিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ