ভূঞাপুরে ঘুষ ছাড়া মিলছে না বিদ্যুতের খুঁটি!

শেয়ার করুন

অভিজিৎ ঘোষ, ভূঞাপুর ॥
টাঙ্গাইলে ভূঞাপুর উপজেলায় বিনামুল্যের খুঁটির জন্য টাকা দিতে হচ্ছে গ্রাহকদের। টাকা না দিলে মিলছে না বিদ্যুতের খুঁটি। সম্প্রতি খুঁটি স্থাপনের পর স্বাক্ষর করে ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, পিডিবির বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য এলাকাগুলোতে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিনামূল্যে খুঁটি (পুল) সরবরাহ করা হয়। কিন্তু উপজেলায় বিদ্যুতের খুঁটি লাগাতে ঘুষ দিতে হচ্ছে গ্রাহকদের। পিডিবির কতিপয় কর্মকর্তাদের যোগসাজসে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান খুঁটি প্রতি মোটা অঙ্কের টাকা নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি পৌরসভার ঘাটান্দি এলাকার শফিক মাষ্টার নামের এক বিদ্যুৎ গ্রাহকের বাড়ির পাশে বিদ্যুতের খুঁটি লাগানোর জন্য ৬৫০০ টাকা ঘুষ দেন ঠিকাদার আব্দুর রহিমকে। ঠিকাদার রহিমের পক্ষে শামীম নামের এক ব্যক্তি কাগজে স্বাক্ষর করে টাকা গ্রহণ করে। সেই টাকা নেয়ার এমন একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। একই ঘটনায় গেল সোমবার (১১ নভেম্বর) বিকেল তিনটার দিকে ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের পাশের একটি চা-স্টলের সামনে ঠিকাদার আব্দুর রহিম খুঁটি স্থাপনের জন্য অগ্রিম ৩ হাজার টাকা ঘুষ নিচ্ছেন এমন একটি অডিও এবং ভিডিও তথ্য পাওয়া গেছে।
টাকা দিয়ে বিদ্যুতের খুঁটি আনা পৌরসভার ঘাটান্দি এলাকার শফিক মাষ্টার টিনিউজকে জানান, তার ঝুঁকিপূর্ন হওয়ায় খুঁটির (পুল) জন্য আবেদন করা হয়। পরে খুঁটি লাগাতে টাকা দিতে হয়। পিডিবির কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে ঠিকাদাররা খুঁটি প্রতি মোটা অঙ্কের টাকা নেন। টাকা না দিলে খুঁটি (পুল) মিলছে না। প্রয়োজনের কারণে বাধ্য হয়েই টাকা দিয়ে খুঁটি আনতে হয়েছে। একই এলাকার দিপু তালুকদার টিনিউজকে জানান, বিদ্যুতের খুঁটি আনতে, লাগাতে ও লেবারসহ গ্রাহককে টাকা দিতে হয়। ভূঞাপুর পিডিবির কতিপয় কর্মকর্তারা জড়িত এমন ঘুষ গ্রহণে।
এ বিষয়ে ভূঞাপুরে বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের সহকারি প্রকৌশলী মশিউর রহমান টিনিউজকে জানান, বিভিন্ন অবস্থার প্রেক্ষিতে খুঁটির জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেয়া হয়।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ