বিদ্রোহীরা আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ কোন পদে নয়- জেলা আ.লীগ

শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার ॥
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিব বর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান ফারুকের সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপা।
জানা যায়, জেলা পরিষদ, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইতোপূর্বে আওয়ামী লীগের যেসব নেতা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন তাদেরকে দলীয় গুরুত্বপূর্ণ কোন পদে না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ। ওইসব নির্বাচনে যারা দলীয় নির্দেশ অমান্য করে প্রার্থী হয়েছিলেন তারা আর স্ব-পদে থাকতে পারবেন না, বর্ধিত সভায় এমন সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত বিদ্রোহীরা দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসতে পারবেন না। কিন্তু মুজিববর্ষ উপলক্ষে সাধারণ ক্ষমা করায় বিদ্রোহীরা সদস্য হিসেবে দলীয় কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এছাড়া আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদের প্রার্থীদের অতীত (ব্যাক গ্রাউন্ড) ও বংশের রাজনৈতিক অবস্থান বিবেচনার সুপারিশও করেছে প্রাচীণ এই দলটি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী (মুজিব বর্ষ) উদযাপনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সেই সাথে মেয়াদী উত্তীর্ণ ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলাগুলোতে কেন্দ্রের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্মেলন করার সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়।
বর্ধিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি, একাব্বর হোসেন এমপি, ছানোয়ার হোসেন এমপি, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, আতাউর রহমান খান এমপি, আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি, হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী এমপি, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মমতা হেনা লাভলীসহ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বর্ধিত সভায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক অংশ নেয়ার কথা থাকলেও সরকারি কাজে ব্যস্ত থাকায় তিনি শেষ মুর্হুতে অংশ নিতে পারেননি।
উল্লেখ্য, বিগত ২০১৯ সালের বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কালিহাতীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনসার আলী বিকম, বাসাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী অলিদ ইসলাম এবং দেলদুয়ারে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মারুফ বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত এবং টাঙ্গাইল সদরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট খোরশেদ আলম পরাজিত হন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ