Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

বাসাইলে খেলার মাঠ নয় যেন পুকুর ॥ কর্তৃপক্ষ নিরব

শেয়ার করুন

এনায়েত করিম বিজয়, বাসাইল ॥
টাঙ্গাইলের বাসাইলে উপজেলা কেন্দ্রীয় খেলার মাঠটি দীর্ঘদিন ধরে পানিতে তলিয়ে থাকলেও কর্তৃপক্ষের কোন নজর নেই। অবহেলা আর চোখের জলে দীর্ঘদিন ধরে ভাসছে মাঠটি। এ অবস্থায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ ক্রীড়া প্রেমীরা খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের যে সময়টা ক্রিকেট বা ফুটবল লেখায় মগ্ন থাকার কথা, অথচ এই মাঠের কারণে তাদেরকে সময় দিয়ে হচ্ছে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় আড্ডা অথবা রাস্তার ধারে মোবাইল ফোনে। এই আড্ডা থেকেই শিক্ষার্থীরা নেশার জগতে পা রাখছে।
বিকেল হলেই এই মাঠে দেখা যেত পৌর এলাকা ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা নানা বয়সী ক্রীড়াপ্রেমীদের। এছাড়াও বড় ধরণের সভা, সমাবেশ ও নিয়মিত সবধরণের খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হয় এই মাঠে। অথচ নিত্য প্রয়োজনীয় বিশাল এ মাঠটির যেন এখন অভিভাবকশূন্য। অল্প বৃষ্টি হলেই মাঠটিতে জমে থাকে হাঁটু পানি। আর বর্ষা মৌসুমে থাকে কোমর পানি, যা মাছ চাষ ও বোরো ধান চাষের জন্য উপযোগী হয়ে এখন খেলাধুলার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যার ফলে ক্রীড়াপ্রেমীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।
বাসাইল পশ্চিমপাড়ার কৃতি সন্তান ঢাকা ব্রাদার্স ইউনিয়ন ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক ইউসুফ আলী খান টিনিউজকে বলেন, বাসাইল উপজেলায় ফুটবল খেলোয়ার তৈরি হওয়ার মতো অনেক প্রতিভা রয়েছে। শুধুমাত্র উপযোগি একটি মাঠের অভাবে খেলোয়ার তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে না। যে মাঠটি রয়েছে সেটি অনুশীলনের উপযোগি নয়। তারপরও এই মাঠে কাজ চালিয়ে নিতাম। মাঠটি সামান্য বৃষ্টি ও বর্ষার পানির কারণে অনুশীলনের সে সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে খেলোয়াররা। জরুরি ভিক্তিতে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধির কাছে মাঠ সংস্কারের জোর দাবি জানান তিনি।
বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল ইসলাম টিনিউজকে বলেন, মাঠটি পৌর সভার আওতায় তারপরও উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে কিছু কাজ করেছি। মাঠ ভরাটের বিষয়টি পৌরসভা কর্তৃপক্ষ দেখবে।
বাসাইল পৌরসভার মেয়র আব্দুর রহিম আহমেদ টিনিউজকে বলেন, মাঠটি উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করে। এখনও পৌরসভার নিয়ন্ত্রণে দেয়া হয়নি। পৌরসভার নিয়ন্ত্রণে দেয়া হলে সারা বছর মাঠটিতে খেলার উপযোগি করা যেতো। মাঠটিতে মাটি ভরাট করা জরুরি বলেও তিনি মনে করেন।
এ ব্যাপারে বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুন নাহার স্বপ্না টিনিউজকে বলেন, মাঠটিতে মাটি ভরাট করা অতিজরুরি। খেলাধুলা ছাড়াও সরকারি সকল অনুষ্ঠানগুলো এই মাঠেই করা হয়। পুরো মাঠটি ভরাটের ক্ষেত্রে অনেক টাকার প্রয়োজন। ইতোমধ্যে কিছু মাটি ফেলা হয়েছে। খুব শিঘ্রই মাঠটিতে মাটি ভরাটের পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ