নাগরপুরে সড়কের পাশের সরকারি গাছ বিক্রির অভিযোগ

শেয়ার করুন

নাগরপুর সংবাদদাতা ॥
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের মেম্বার সাইফুলের বিরুদ্ধে সড়কের দু’পাশের সরকারি গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ইউপি সদস্য সাইফুল ও তার সহযোগীরা প্রায় ১০টি আকাশী, ববলা গাছ বন বিভাগের লিখিত অনুমোদন ছাড়াই গাছগুলো বিক্রি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভাদ্রা ইউনিয়নের আড়রা কুমেদ এলাকা থেকে টেপরি আধাপাকা সড়কের দুই পাশের প্রায় ১০০টি গাছ কেটে বিক্রি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সাইফুল মেম্বারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি গাছ বিক্রির কথা স্বীকার করে টিনিউজকে বলেন, গাছগুলো আমরা সমিতির মাধ্যমে প্রায় ১৫-১৭ বছর আগে রোপন করেছিলাম এবং পরবর্তীতে বন্যায় ক্ষতি হলে বন কর্তৃপক্ষ পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। এলাকার অনেকেই গাছ কেটে নিচ্ছে। তাই আমরা সমিতির সদস্যরা তা ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছি। গাছের সংখ্যা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রায় ১৫-২০টি গাছ হবে। তবে আমার সঠিক জানা নেই।

অপরদিকে ওই গাছগুলোর ক্রেতা আজম মিয়া টিনিউজকে বলেন, আমি গরীব লোক, সরল বিশ্বাসে এই গাছগুলো ৭৫ হাজার টাকায় সাইফুল মেম্বারের কাছ থেকে ক্রয় করেছি। আমি প্রথমে ক্রয় করতে না চাইলে মেম্বার ও তার সহযোগীরা আমাকে বিভিন্নভাবে ওই গাছগুলো ক্রয়ে উদ্ভুদ্ধ করে। সকল সদস্যের মতামত নিয়ে বিক্রি হচ্ছে কি না জানতে চাইলে সাইফুল মেম্বার আমাকে একটা কাগজ হাতে দেয়। যেখানে ১১ জন সমিতির সদস্যদের নাম রয়েছে। তিনি আরও বলেন, গছের সংখ্যা ১০০ এর কম হবে। তবে সঠিকভাবে এই মূহুর্তে বলতে পারছি না।
এ বিষয়ে নাগরপুর উপজেলা বন কর্মকর্তা লুৎফর রহমান টিনিউজকে বলেন, এই অভিযোগ আমি পেয়ে সাইফুল মেম্বারকে মোবাইলে সরকারি গাছ বিক্রি ও কর্তন থেকে বিরত থাকতে বলেছি। তবে আমি দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আর এর সাথে জড়িত মেম্বার যদি বন বিভাগের নিষেধ অমান্য করে গাছ কর্তন বা বিক্রি করে থাকে। তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ