Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

নাগরপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে যাত্রার অনুমতি না দেওয়ায় শিক্ষক লাঞ্ছিত

শেয়ার করুন

নাগরপুর প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গনে যাত্রা করার অনুমতি ও দাবী অনুযায়ী চাঁদা না দেওয়ায় প্রধান শিক্ষক মো. আ.বাতেনকে লাঞ্ছিত করেছে বখাটেরা। সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার সিংদাইর সাইদুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা দোষীদের শাস্তি দাবী করেছেন। এ ব্যাপারে নাগরপুর থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
ভূক্তভোগী প্রধান শিক্ষক আ.বাতেন জানান, গত শনিবার সিংদাইর গ্রামের মোস্তফা (৫৫), বাচ্চু (৫২), সোহেল (৩৫), মিন্টু (৩০), জুয়েল (৩৩) সহ আরও কয়েক জন আমার কাছে এসে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে যাত্রা করার অনুমতি এবং এর জন্য চাঁদা দাবী করে। এ সময় আমি তাদেরকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে যাত্রার অনুমতি দেওয়ার ক্ষমতা আমার নেই বলে জানাই এবং ১০০ টাকা চাঁদা দিয়ে বিদায় করে দেই। পরদিন রবিবার সন্ধ্যায় তারা আমাকে মোবাইলে বিদ্যালয়ের বেঞ্চ, রুম ও বিদ্যুতের লাইন দেওয়ার জন্য চাপ দেয়। সে সময় আমি তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকী দেয়। ঘটনার দিন সোমবার সকালে আমি বিদ্যালয়ে পৌছলে তারা আমার উপর হামলা করে কিল ঘুষি মারতে থাকে। এসময় আমার সহ কর্মীরা এগিয়ে এসে আমাকে উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও ভাদ্রা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বাকু ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন বিদ্যালয়ের মত স্পর্শ কাতর জায়গায় যাত্রার অনুমতি না দেওয়ায় এলাকার কিছু বখাটে এ রকম ন্যাক্কার জনক ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মোস্তফা জানান, আমরা বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠান করার অনুমতি চাইতে গেলে তিনি আমাদের তা না দিয়ে অফিস থেকে তাড়িয়ে দেন। অনুষ্ঠানের পরদিন এলাকার ছেলেপেলে অনুমতি না দেওয়ার কারন জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা কাটাকাটি হয়।
এ ব্যাপারে নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.আলম চাঁদ জানান বিষয়টি নিয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ