Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

ধনবাড়ী ধোপাখালী টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজ এক যুগেও এমপিও ভুক্তি হয়নি

শেয়ার করুন

Tangail B.M College pic- 10-10-15স্টাফ রিপোর্টারঃ

বেতন নেই তবুও পুরোপুরি স্বেচ্ছাশ্রম দিয়েই এক যুগ ধরে চালিয়ে যাচ্ছেন টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার ধোপাখালী টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের শিক্ষক ও কর্মচারীগণ। এমপিও ভুক্তি না হওয়ায় তারা মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
উওর টাঙ্গাইলের অন্যতম জনপদ ধনবাড়ী উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নে অবস্থিত এই এমপিও বিহীন কারিগরি শিক্ষার অন্যতম এবং কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে সবচেয়ে পুরাতন প্রতিষ্ঠান। কলেজটি প্রতিষ্ঠার পরপরই কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। এ কলেজে ফলাফলও অত্যন্ত সন্তোষজনক। এ বছর এ কলেজ থেকে এইচএসসিতে ৯৭% শিক্ষার্থী পাশ করেছে। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০ জন। দীর্ঘ ১২ বছরেরও অধিক সময় পেরিয়ে গেলেও কলেজ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভাগ্যে জোটেনি সরকারি বেতন ভাতাদির অংশ। মেলেনি আধুনিক ভবন নির্মাণে কোন সরকারি অনুদান ও বরাদ্দ। তবুও থেমে নেই শিক্ষক কর্মচারীগণ। শিক্ষার্থীদের পাঠদানের মাধ্যমে এলাকার শিক্ষা বঞ্চিত শিক্ষার্থীদেরকে উচ্চ শিক্ষায় পাঠদান দিয়ে চলেছেন। স্বীকৃতি মিললেও আজ অবধি এমপিও ভুক্তি করা হয়নি এ প্রতিষ্ঠানটিকে। স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গ গত ২০০৩ সালে ধনবাড়ী উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নের ধোপাখালী বাজার সংলগ্ন ১ একর ১৩ শতক ভূমির উপর মনোরম পরিবেশে কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০৫ সালের ১৮ জুলাই কলেজটি পাঠদানের স্বীকৃতি লাভ করে। ৬০ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে দুইটি ট্রেড কোর্সে শুরু হয় শিক্ষাকার্যক্রম। গত ২০০৫ সালে এ কলেজের শিক্ষার্থীরা পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। ফলাফলও সন্তোষজনক। গত ২০০৯ সালে স্থাপিত হয় এইচএসসি (বি.এম) বিজনেস ম্যানেজমেন্ট পরীক্ষা কেন্দ্র। গত ২০১২ সালে এ কলেজ কেন্দ্রে ৫১৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এমপিও ভুক্তি লাভের জন্য যে শর্তাবলী ও ফলাফল থাকার প্রয়োজন তার কোনটিরও কমতি নেই এ প্রতিষ্ঠানটির। স্বীকৃতিকে সম্বল করেই অদ্যাবধি এমপিও ভুক্তির জন্য প্রতীক্ষার প্রহর গুনছে এ কলেজের ১১ জন শিক্ষক-কর্মচারী। বিনা পারিশ্রমিকে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে এখন তারা হতাশাগ্রস্থ, তবুও দমে যাননি তারা।
বিএম কলেজের লাইব্রেরিয়ান তাপসী রাবেয়া দীর্ঘ নি:শ্বাস ছেড়ে বলেন, দীর্ঘ ১২ বছর যাবৎ কলেজের দায়িত্ব পালন করেও কোন সরকারি বেতন ভাতাদি পাচ্ছি না। সঙ্গত কারণেই আর্থিক সংকটে ভুগছি। স্বামী-সন্তান নিয়ে অতিকষ্টে জীবন-যাপন করছি। প্রভাষক আহসান হাবীব বলেন, সকল দিকে পরিপূর্ণ থাকার পরও আমাদের কলেজটি এমপিও ভুক্তি না হওয়ায় আমরা মানবেতর জীবন-যাপন করছি। ধোপাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন তালুকদার মিন্টু জানান, অবহেলিত এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে স্থানীয় কলেজটি এমপিও ভুক্তি করে এলাকার শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিএম কলেজের অধ্যক্ষ সজল কুমার সরকার জানান, বিনা বেতনে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রেখে আমরা চরম দৈন্যতার নিমর্ম কষাঘাতে মানবেতর জীবন-যাপন করছি, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। কলেজটি যাতে দ্রুতই এমপিও ভূক্ত হয় সে জন্য সরকারের কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। স্থানীয় এমপি ও অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. আব্দুর রাজ্জাক এ বিষয়ে খুবই আন্তরিক।

শেয়ার করুন
  1. কাশীপুর ডিগ্রী কলেজ বিএম শাখ 14 বছরে এমপিও ভুক্তি হয়নি ।শিক্ষকরা মানবতায় জীবন যাপন করছে। এ সালে এমপিও প্রথম গ্রেডে এমপিও ভুক্তি হওয়া উচিত

    Reply

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ