Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

দীর্ঘ ১১ বছর পর বর্ণাঢ্য ও ডিজিটাল আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে

শেয়ার করুন

1207আব্দুল্লাহ্ মাসুদঃ

দীর্ঘ ১১ বছর পর আগামী ১৮ অক্টোবর রবিবার টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতো বছর পর সম্মেলনকে ঘিরে জেলায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ব্যাপক চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। জেলায় অনুষ্ঠিত ইতিপূর্বে এতো বড় আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি।
এদিকে এরই মধ্যে সম্মেলনের প্রায় সকল প্রস্তুতি শেষের দিকে। বর্ণাঢ্য ও ডিজিটাল আয়োজনের মধ্য দিয়ে এবার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য টাঙ্গাইল আউটার স্টেডিয়ামকে বর্নিল সাজে সজ্জিত করা হচ্ছে। সম্মেলনস্থল ছাড়াও আশপাশের এলাকা ও শহরের গুরুত্বপূর্ন স্থানগুলোতে সিসি টিভি ক্যামেরা বসিয়ে নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে দেয়া হবে। সম্মেলনের দিন অনুষ্ঠানস্থল ও এর আশপাশে ফ্রি-ওয়াইফাই জোনের আওতায় রাখা হবে। এছাড়া সম্মেলনে আসা নেতৃবৃন্দকে স্বাগত জানাতে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী, জেলা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন এবং উপজেলা কমিটির পক্ষ থেকে শহরের বিভিন্ন সড়কে বহু তোরণ নির্মান করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর সম্মেলন হওয়ায় এবং অনেকটা ঝিমিয়ে পড়া নেতাকর্মীদের নতুন করে উজ্জীবিত করতে ব্যাপক আয়োজন করা হচ্ছে। এ সম্মেলনে ৭০ লাখ টাকা বাজেট করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
আগামী ১৮ অক্টোবর রবিবার বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধক কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর অন্যতম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ। প্রধান অতিথি থাকবেন কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। সম্মেলনের প্রধান বক্তা কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন। এছাড়া সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে আব্দুর রাজ্জাক এমপি, সাহারা খাতুন এমপি, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, ধর্ম মন্ত্রী মতিউর রহমান, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী মির্জা আযম, ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট তারানা হালিম, বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এডভোকেট মমতাজ উদ্দিন মেহেদী ছাড়াও এমপি এবং জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।
সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা জানান, সর্বশেষ বিগত ২০০৪ সালের ৫ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর আর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি। সম্মেলন এবং নতুন কমিটি না হওয়ায় দলীয় কার্যক্রম অনেকটাই ঝিমিয়ে পড়ে। যথাযথ মূল্যায়ন না থাকায় দলের সিনিয়র নেতাদের অনেকেই হতাশ হয়ে পড়েন। ফলে তারা দলীয় অনেক কার্যক্রম থেকে দূরে সরে যান। তবে এবার সম্মেলনে মুলত নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা হবে সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে। এ পদের প্রার্থীরা তাদের পক্ষে সমর্থন ও ভোট পেতে প্রতিটি উপজেলায় ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত কাঙ্খিত সেই পদটি কে পাবেন তার অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সম্মেলনের দিন পর্যন্ত।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ