Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

টাঙ্গাইল সেবা ক্লিনিকে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ!

শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইল শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত সেবা ক্লিনিক এন্ড হসপিটালে ভুল অপারেশন ও চিকিৎসকের দায়িত্বে অবহেলায় তাসলিমা আক্তার (২৬) নামের এক রোগির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ধামাচাপা দেয়ার জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। নিহতের স্বজনদের ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বিভিন্নভাবে হুমকিও দিচ্ছেন।
ক্লিনিক রেজিষ্ট্রার সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৫ মে) বিকেলে নাগরপুর উপজেলার বেকরা মশুরিয়া গ্রামের আরিফ হোসেনের স্ত্রী তাসলিমা আক্তারকে টনসিল অপারেশনের জন্য চিকিৎসক আনোয়ারুল হকের তত্ত্বাবধানে ওই ক্লিনিকে ভর্তি করেন। তার ভর্তি রেজিঃ নং-৪৩, কেবিন নং-৩০৫/৬। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রোগীর প্রয়োজনীয় পরীক্ষাদি না করে রোগীকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে গেলে রোগীর ব্লাড প্রেসার ও সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় অপারেশনের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তবুও অর্থ লিপ্সু চিকিৎসক তার চিকিৎসা না দিয়ে তড়িঘরি করে অপারেশন সম্পন্ন করে। অপারেশনের পর রোগী আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়ে পড়ে। অবস্থা বেগতিক দেখে আইনি জটিলতা এড়াতে চিকিৎসক ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের যোগসাজসে নিজস্ব লোকজন ও এ্যাম্বুলেন্সসহ ছাড়পত্র দিয়ে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে। খবর পেয়ে রোগির স্বজনরা এনাম মেডিকেলে গেলে কর্তৃপক্ষ তাদের বলে রোগী নিবিড় পর্যবেক্ষনে রয়েছে। কিছুক্ষন পর তাদের রোগীকে মৃত বলে ঘোষনা করে।
আরো জানা যায়, ওই ক্লিনিকের মালিক লায়ন শিবলি সাদিক টাঙ্গাইল জেলা ক্লিনিক মালিক এসোসিয়েশনের সভাপতি ও দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। রাজনৈতিক ও ক্লিনিক এসোসিয়েশনের নেতা হওয়ার সুবাদে ওই ক্লিনিকে একের পর এক ভুল চিকিৎসা ও দায়িত্বহীনতার কারণে অসংখ্য রোগীর ভুল চিকিৎসা করার অভিযোগ রয়েছে। তথাপিও ওই মালিক প্রভাব বিস্তার করে প্রত্যেকটা ঘটনাকে সুকৌশলে একের পর এক ধামাচাপা দিতে সক্ষম হন। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে মিথ্যা মামলার ভয় দেখানো হয়।
এ ব্যাপারে রোগীর স্বামী আরিফ হোসেন টিনিউজকে বলেন, আমি পুলিশের লোক, আমি কোন আইনি জটিলতায় জড়াতে চাই না।
এ বিষয়ে নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞ ডা. আনোয়ারুল হক টিনিউজকে বলেন, আমার বাবা অসুস্থ থাকায় আমি মানুষিকভাবে বিপর্যস্ত। তবুও আমার অপারেশনে কোন ভুল ছিল না।
অন্যদিকে, এ্যানেথেসিয়া (অজ্ঞান) ডা. রফিকুল ইসলাম টিনিউজকে বলেন, অপারেশন থিয়েটারে নেয়ার পর রোগীর রক্তচাপ ও সুগার বেড়ে গেলে তাকে ইনসুলিন দেয়া হয়।
এ ব্যাপারে সেবা ক্লিনিকের মালিক লায়ন শিবলি সাদিকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ