Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

টাঙ্গাইলে রাস্তার নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ

শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টারঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার কাগমারা-এনায়েতপুর ভাঙ্গারপাড় মোড় থেকে সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের ধরেরবাড়ি পর্যন্ত প্রায় ১৮২০ মিটার রাস্তার নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। রিপেয়ারিং করার নামে নি¤œ মানের ইট সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগÑ নি¤œমানের কাজের বিষয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও এলজিডি’র দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অভিযোগ করে কোন সুফল পায়নি। ৪০ লাখ টাকার বিনিময়ে সদর উপজেলা এলজিডি হৃদয় কন্সট্রাকশনকে এ রাস্তার কাজের দায়িত্ব দেয়।
সরেজমিনে ওই রাস্তায় গিয়ে দেখা যায়, দুই জন শ্রমিক নামে মাত্র ঝাড়– দিয়ে রাস্তার উপরে থাকা বালু সরানের চেষ্টা করছে। অপর দিক থেকে অন্য শ্রমিকরা বালুর উপর দিয়েই পিচ করে আসছে। নি¤œমানের ইট, ধুলা মিশ্রিত পাথর ও বালু ব্যবহার করেই রাস্তার রিপেয়ারিং কাজ শেষ করা হচ্ছে। এলিজিডি কর্মকর্তাদের সামনে রাস্তার ধুলাবালু পরিস্কার না করেই পিচ করা হচ্ছে। ফলে একবার বৃষ্টি হলেই রাস্তার পিচ করা সলিং উঠে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। রাস্তায় ১ ইঞ্চি করে পিচ করার কথা থাকলেও সঠিক পরিমাপে তা করা হচ্ছে না। প্রস্থতা ১০ ফিট করার কথা থাকলেও সেখানেও অনিয়মই করছে ঠিকাদার।
শাহালম মিয়া নামে এক স্থানীয় ব্যক্তি বলেন, ‘রিপেয়ারিং কাজে আগের পিচ মেশানো পাথরগুলি বাদ দেওয়ার কথা থাকলেও ওই পুরাতন পাথরগুলি মেশানো হয়েছে। নতুন ইটের নামে নি¤œ মানের ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও এলজিডি কর্মকর্তাদের বলে কোন সুফল পায়নি।’
জাহাঙ্গীর বলেন, ‘নি¤œমানের ইট সামগ্রীর পাশাপাশি ধুলাবালুর উপরেই পিছ করা হচ্ছে। ফলে কয়েকমাস পরেই রাস্তাই পূণরায় আগের মতো হয়ে যাবে। এই রাস্তায় উর্দ্ধতম কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।’
আজিজুল হক বলেন, ‘১৮২০ মিটার রাস্তাটি একবারে নি¤œ মানের সামগ্রী দিয়ে রিপেয়ারিং করা হচ্ছে। পিচ এক ইঞ্চি করার কথা থাকলেও হাফ ইঞ্চি বেশি করা হচ্ছে। রাস্তার প্রস্থতা ১০ ফিট করার কথা থাকলেও ৯ থেকে সাড়ে ৯ ফিট রাস্তা করা হচ্ছে। উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।’
পথচারী রবিউল বলেন, ‘সড়কে কাজের নামে নয়ছয় করা হচ্ছে। তাই সড়কে অযথা অপচয় না করে ভালোভাবে সড়ক উন্নয়ন করলে সরকারের এতো টাকা অপচয় হতো না।’
স্থানীয় সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘পিচ ও পাথরের সাথে ভালোভাবে না মিশিয়েই রাস্তা ফেলা হচ্ছে। ফলে রাস্তাটি তেমন মজবুদ হচ্ছে না। পরিস্কার করার শ্রমিকও তাদের অনেক কম। এক মহিলা ও একজন অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশু দিয়ে পরিস্কারের কাজ করা হচ্ছে। নামে মাত্র পরিস্কার করেই ধুলাবালুর উপরে পিচ করা হচ্ছে। এলজিডির ওয়ার্ক এ্যাসিসট্যান্ট থাকা সত্বেও তিনি কোন প্রতিবাদ করছে না। হয়তোবা এলজিডির ওয়ার্ক এ্যাসিসট্যান্ট জাহাঙ্গীর আলমের কোন স্বার্থ আছে এখানে। কোন আমি জেলা প্রশাসকের সুদৃষ্টি কামনা করছি’।
এ ব্যাপারে সদর এলজিডির ওয়ার্ক এ্যাসিসট্যান্ট জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রাস্তার কাজ মোটামোটি ভালভাবেই করা হচ্ছে। এই কাজে আমার কোন স্বার্থ নাই।
হৃদয় কন্সট্রাকশনের প্রোপাইটর বদিউজ্জামান ফারুক বলেন, ভাল মানের কাজ করা হচ্ছে। এই রাস্তার কাজে কোন নয়-ছয় করা হয়নি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ