Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

টাঙ্গাইলে ডিজিটাল মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা জমজমাট

শেয়ার করুন

রঞ্জিত রাজ ॥
গত কয়েক বছরে দেশের তথ্য প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। আর এর প্রভাব পড়ছে দেশের জাতীয় নির্বাচনে। প্রার্থীদের ভোটের প্রচারণায় গুরুত্ব পাচ্ছে ডিজিটাল বিভিন্ন মাধ্যম। টাঙ্গাইলের অধিকাংশ ভোটারের হাতে মোবাইল ফোন থাকায় এ বিষয়ে বেশি জোর দিচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো ও প্রার্থীরা।
বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানি এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে চালানো হচ্ছে প্রচারণা। পাশাপাশি ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব এবং ই-মেইলের মাধ্যমে প্রার্থী এবং দলের ক্যাম্পেইন চলছে। এক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও দলের নেতিবাচক দিকগুলোও এ মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, এ প্রবণতা ততই বাড়ছে। ফলে এ খাতে বিশাল অঙ্কের অর্থ লেনদেন হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের ১০ বছরের শাসনামলে ডিজিটাল মাধ্যমের সুবিধা নিচ্ছেন এখন প্রার্থী ও ভোটাররা। সুবিধার পাশাপাশি ফেসবুক ও ইউটিউবের মাধ্যমে অপরাধীরা বিভিন্ন গুজব ছড়িয়ে দেয়। ফলে এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন সবোর্চ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
সংসদ নির্বাচনের আচরণ বিধিমালা সংশোধন বিষয়ক কমিশন বৈঠক শেষে সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের বলেছেন, সংসদ নির্বাচনে ডিজিটাল ডিসপ্লের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো যাবে। তবে জীবিত প্রাণী কিংবা কাপড়ের ব্যানার ব্যবহার করা যাবে না। এ দুটি ছাড়া নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা আগের মতোই রয়েছে।
আগামী (৩০ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের একাদশতম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার প্রচারণায় নেমে পড়েছেন প্রার্থীরা। এক্ষেত্রে সার্বজনীন ব্যবহার বাড়ার কারণে নির্বাচনী প্রচারেও ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। জানা গেছে, বিভিন্ন প্রার্থীর সমর্থকরা ফেসবুকে প্রার্থীর ছবি দিয়ে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। এতে লাইক কমেন্ট করছেন অন্যরা। পড়ছে নেতিবাচক মন্তব্য। এছাড়াও বিভিন্ন প্রার্থীর কার্যক্রমের ওপর ভিডিও তৈরি করে ইউটিউবে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। ভোটারদের ই-মেইলে প্রার্থীদের ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরে বার্তা পাঠানো হচ্ছে। নেতিবাচক দিক তুলে ধরেও বার্তা পাঠাচ্ছেন প্রার্থীরা। মোবাইল ফোনে খুদে বার্তা যাচ্ছে। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরছে আওয়ামী লীগ। এক্ষেত্রে মোবাইল কোম্পানিগুলো সেবা দিচ্ছে। পাশাপাশি খুদে বার্তা পাঠানোর জন্য বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে। এরা ২০ পয়সা থেকে শুরু করে ৫০ পয়সায় বার্তা পাঠায়।
অন্যদিকে প্রত্যেকটি দলের নিজস্ব ওয়েবসাইট রয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচনে অংশ নেয়া দলগুলোর পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও প্রচারণার জন্য আলাদা আলাদা নিজস্ব ওয়েবসাইট খুলেছে। এসব ওয়েবসাইটগুলোতে প্রার্থীদের সব তথ্য পাওয়া যায়। দলের কর্মসূচিও দেয়া থাকে। টাকা লেনদেনের ক্ষেত্রেও ব্যবহার হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং মাধ্যম। তবে অনেক সর্তকতার সাথে, আইন মেনে ব্যবহার করার নির্দেশ রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ