Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

টাঙ্গাইলে আশা ও আকাঙ্খার নতুন বছর

শেয়ার করুন

জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল ॥
বিদায় গ্রেগরিয়ান ২০১৮, স্বাগত ২০১৯। তীব্র শৈত্যের হিমেল কুয়াশাভেজা বাংলদেশে রাজনৈতিক কুহেলিকা, দ্বন্দ্ব ও অনিশ্চয়তার চাপা উদ্বেগ-উত্তাপ-উত্তেজনার মধ্যেও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে আশা ও আকাঙ্খায় ভর করে আসছে আরেকটি নতুন বছর। নতুন বছরের শীতার্ত সূর্যোদয় সঙ্গে নিয়ে আসছে বিগত বছরের রাজনৈতিক বিভেদ। জাতীয় ইস্যুতেও কোনভাবেই পিছু ছাড়ছেনা রাজনৈতিক দলগুলোর হীনমন্যতা। নির্বাচনী ব্যবস্থা প্রশ্নে পরস্পর বিরোধী অবস্থানের সিদ্ধান্তহীন চক্র থেকে বের হয়ে ঐকমত্যে পৌঁছার চ্যালেঞ্জে বিগত সময়ে রাজনৈতিক পরাজয় হয়েছে দেশের বৃহৎ দু’রাজনৈতিক দলেরই। আওয়ামীলীগ দেশে-বিদেশে-সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য ও সকলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে স্বচ্ছ-জবাবদিহিমূলক-গণতান্ত্রিক-সুশাসন প্রতিষ্ঠার দ্বায়বদ্ধতা মেটাতে যেমন ব্যর্থ হয়েছে, তেমনই আহাম্মকের পরিচয় দিয়েছে বিএনপি ও তার শরীকরা। তারপরও বিজ্ঞ সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রণ্টের আত্মপ্রকাশ ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব দলের অংশ গ্রহন জাতিকে আশান্বিত করেছে। তারপরও একদিকে শান্তি, গণতন্ত্র ও সমন্বয়ের আশাবাদ এবং অন্যদিকে রাজনৈতিক সংঘাত, দ্বৈরথ ও রক্তপাতের আশঙ্কার মতো বিপরীতমুখী অনাকাঙ্খিত বাস্তবতার দোলাচলে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু ৩০ ডিসেম্বরের ভোট গ্রহন ও নির্বাচনী ফলাফলে গণতন্ত্রকে পরবাসী করে আওয়ামীলীগের নিরঙ্কুশ বিজয় হয়েছে। নির্বাচনী ফলাফলের নিন্দা ও সমালোচনায় আবর্তিত হয়েই এবারও অসীম আশা-আকাঙ্খায় আমাদের বরণ করতে হচ্ছে খ্রিস্টিয় নতুন বছরকে। উষার দুয়ারে আঘাত হেনে আসছে রাঙা প্রভাত। স্বাগতম নতুন বছর। এমন সময়ে প্রিয় স্বদেশভূমির সবাইকে শুভেচ্ছা। শুভ ইংরেজি নববর্ষ।
জ্বালাও-পোড়াও নিম্নগামিতা থাকলেও দুর্নীতি, সন্ত্রাস, খুন-খারাবী, ক্ষমতা, গুম, হত্যা, লুটপাট, সমালোচনা নির্ভর বিচারকদের সিদ্ধান্ত, বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড, পদ্মাসেতু নির্মাণে নানা সঙ্কট, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের অনিশ্চয়তা সহ অসংখ্য সমস্যার পাহাড় নিয়ে ২০১৮ সালের সূচনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বয়ে এনেছিল বহু গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। সহিংস রাজনৈতিক তৎপরতা, প্রশাসনের সীমাহীন দুর্নীতি আর প্রকাশ্য রাজপথে স্বার্থবাদীদের আস্ফালন ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ২০১৮ শুরু হয় চরম উৎকন্ঠায়।
উত্থান ও পতনের মধ্য দিয়ে চলমান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বজায় রাখতে আওয়ামীলীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারিতে যেনতেন একটি নির্বাচন করে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অধিত সংখ্যক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়। বিএনপি ও তার শরীকরা ওই নির্বাচন বয়কট করে চরম দেউলিয়াত্বের পরিচয় দেয়। প্রথমে মনে করা হয়েছিল এ যেনতেন (আরেকভাবে সংবিধান রক্ষার) নির্বাচনের পর আবারও একটি নির্বাচন সমাসন্ন। কিন্তু বিএনপি ও তার শরীকরা নির্বাচনপূর্ব আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়, ব্যর্থ হয় আন্দোলনে জনসম্পৃক্ত করতে। এদিকে আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করে। রওশন এরশাদের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি হয়ে যায় বিরোধী দল। আর নির্বাচন বয়কট করায় বিএনপি চলে যায় বাংলাদেশের তৃতীয় রাজনৈতক দলে। সময়ের সাথে সাথে মুখে না বললেও বিদেশি বন্ধুরা হাত বাড়িয়ে দিতে থাকে(স্বীয় স্বার্থে)। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে নৈতিক না হলেও মৌন সমর্থনে উন্নয়নে সরকারকে সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসে। বিভিন্ন দেশের সাথে নানা বিষয়ে চুক্তি ও সমঝোতা স্বাক্ষর হয় যথারীতি। নানা ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলেও আওয়ামীলীগের সরকার পরিচালনা নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে তেমন কোন জোরালো আক্ষেপ-ক্ষোভ লক্ষ্য করা যায়নি। মানুষ পাশাপাশি সময়ে জাতীয় নির্বাচন চায়নি। বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটকে আওয়ামীলীগ অনেকগুলো ইস্যু আন্দোলনের জন্য দিলেও তারা তা নিয়ে জনগণের কাছে পৌঁছতে পারেনি-রাজনৈতিক কূটচালে তারা বার বার পরাস্ত হয়েছে। মোদ্দাকথা, বিগত পাঁচটি বছর প্রায় অনির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় থাকে। পাঁচ বছরে রাজনৈতিক উত্তাপ থাকলেও সরকার তা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে। তবুও রাজনৈতিক ঢামাঢোল থামেনি-অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তায় কেটেছে গেল বছরটি।
বিগত বছরের সকল ভুল, ত্রুটি, চাওয়া, না পাওয়া সবকিছু পিছনে ফেলে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের রাজনীতি, সমাজনীতি ও উন্নয়নের গতিশীলতা স্থির করতে হবে ক্ষুদ্র স্বার্থ জলাঞ্জলী দিয়েই। নতুন বছরে ইতিবাচক না নেতিবাচক পথ বেছে নেবে বাংলাদেশ, এমন কঠিন প্রশ্নে সঠিক সিদ্ধান্তটি খুঁজে বের করতে হবে সদ্য নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের, রাজনৈতিক এলিটদেরকেই। গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপায়ন ও উন্নয়ন আমাদের করতেই হবে।
সরকার ও বিরোধী রাজনীতিক রা গেল বছরের শেষ দিয়ে সম্পন্ন হওয়া জাতীয় নির্বাচন নিয়ে নানা কথা বলবেন, কর্মসূচি দেবেন। বাহ্যত এমন রাজনৈতিক ‘বাহাস’ আগেও হয়েছে, হয়তো ভবিষ্যতেও হবে। গণতান্ত্রিক ধারায় এ বাহাস চর্চিত হলেও আমাদের মত পোড় খাওয়া দেশের মানুষের কাছে শঙ্কার। এমন রাজনৈতিক ‘বাহাস’ সাধারণত সহিংসতা উস্কে দেয়- যা কাম্য নয়, এদিকে রাজনৈতিক নেতৃত্বকে স্মরণে রাখতে হবে। আগামি দিনে দেশে সহিংসতা বাড়বে? অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়বে সর্বত্র? বিরোধী রাজনৈতিক শিবির মাঠ গরমের নয়া ইস্যু পাবে? নাকি সরকার কৌশলী হয়ে পরিস্থিতি সামলে নিতে সক্ষম হবে?- এ প্রশ্ন থাকলেও মানুষ আশা করে আগামির দিনগুলো স্বাচ্ছন্দে কাটবে। আগামি বছরটি কি সমঝোতার পথে যাবে, নাকি সংঘাতের রক্তাক্ত রণাঙ্গনে পরিণত হবে, সেটাও নির্ধারিত হবে রাজনৈতিক নেতৃত্বের দ্বারা।
গণতন্ত্রের গতিপথে নির্বাচন একটি অতি তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়। তাতে সব দল অংশ নিয়ে রাজনৈতিক দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছে। নির্বাচন হয়ে যাবার পর, দেশে মোটামোটি স্থিতিশীলতা থাকলে ক্ষমতালোভী হয়ে নয়া নির্বাচনের দাবি তোলা কোন্ গণতন্ত্রের সজ্ঞা বুঝতে হোচট্ লাগে বৈকি। নেতৃবৃন্দের দূরদর্শিতা, বিচক্ষণতা, সমন্বয় ও সহমর্মিতায় একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রতি জনসাধারণের ‘বিশ্বাস’ জন্ম নেয়। নতুন বছরের রাজনৈতিক সফলতা বা ব্যর্থতার মানদন্ডে ঠিক হবে দলগুলোর আগামি দিনের ভবিষ্যৎ। কে ক্ষমতায় থেকে সরকার পরিচালনায় সফল আর কে ক্ষমতার বাইরে থেকে রাজনৈতিকভাবে সফল সে পরীক্ষার বছরও ২০১৯ সাল। অর্থাৎ সফলে সফলে যুদ্ধের পর আসবে চূড়ান্ত সফল। এ পরীক্ষা কেবল শক্তির বা হুঙ্কারের নয়, এ পরীক্ষা কৌশলের, দক্ষতার, যোগ্যতার। ২০১৯ সালের রাজনৈতিক তৎপরতার ক্ষেত্রে দলগুলোর বাস্তবসম্মত-দূরদর্শিতার নিরিখেই নিরূপণ করা হবে তাদের ভবিষ্যৎ চূড়ান্ত সাফল্য।
যদিও গণতন্ত্র বা সুশাসন কেবল জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয় নয়- এর সঙ্গে আরও অনেক বিষয় ও দায়িত্ব জড়িত। তথাপি বাংলাদেশসহ উন্নয়নকামী দেশে নির্বাচনই গণতন্ত্রের প্রধান সার্টিফিকেট। ভোটের মাঠে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী আর ফলাফলে আকাশ-পাতাল সাধারণ মানুষকে সন্দেহ প্রবণ করে তুলে। আওয়ামীলীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের বিজয়ী হওয়ার রেকর্ড শুদ্ধ ‘গণতন্ত্রের সার্টিফিকেট’ এর মানদন্ডে যে হয়নি তা স্পষ্ট। সুশাসনের বহু দিকে ব্যর্থ হলেও একটি গ্রহণযোগ্য ও জন-অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন গণতন্ত্রের ললাটে বৈধতার সিলমোহর হিসেবে কাজ করে। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে ২৯টি দল অংশ নিলেও ফলাফল অগ্রহণযোগ্য হয়নি।
এ কথা সত্য যে, গণতন্ত্র ও সুশাসনের যৌথ শপথে বিশ্বের অগ্রগতি ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশকেও এগিয়ে যেতে হবে। এ অগ্রগমনের রথে চলতি দশকেই বাংলাদেশ পৌঁছে যাবে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তির মাহেন্দ্রক্ষণে। এমনই গৌরবের যাত্রাপথে সংঘাত ও সংঘর্ষকে পরিত্যাগ করে গণতন্ত্র ও সুশাসনকে সমুন্নত রাখার অঙ্গীকার জাতির ঐক্যবদ্ধ প্রতীতি। ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর অবিমৃষকারিতার দ্বারা রাজনৈতিক সংস্কৃতির অবক্ষয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশকে জাতীয় অঙ্গীকারের মহাসড়ক থেকে অন্য কোন দুষ্টচক্রের ঘূর্ণাবর্তে যেন কোনভাবেই ঠেলে দেয়া বা বিচ্যুত করা না যায়, সেটার প্রহরা দেয়াই সকলের জন্য ২০১৯ সালের প্রধান কর্তব্য বলে মনেকরি।
সীমাহীন আশা ও আকাঙ্খা নিয়ে যে নতুন বছর আসছে, তাকে মেঘমুক্ত করে আলোকিত ঠিকানায় পৌঁছে দেয়াই নতুন বছরের দিক্দর্শন। আমাদের রাজনৈতিক কন্ডারিরা যদি বাস্তবতার এই সঙ্কেত অনুধাবনে ভুল করেন, তাহলে অনেক চড়া মাশুল দিতে হবে তাদের। কেননা, রাজনৈতিক ব্যবস্থা এখন আর সরকারের একচ্ছত্র শাসন নয়; ব্যাপক অর্থে গভর্নেন্স। যেখানে সরকার একটি পক্ষ মাত্র। অন্য পক্ষগুলো হলো বিরোধী দল, প্রাইভেট সেক্টর, এনজিও, সিভিল সোসাইটি এবং উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও রাষ্ট্রসমূহ। সুশাসন মানে সকল পক্ষের সম্মিলিত ও সমন্বিত প্রয়াসে জনগণের সেবার মান বৃদ্ধি, জীবনযাত্রা, নিরাপত্তা ও আয়-রোজগারের প্রবৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে বৈশ্বিক যোগসূত্র স্থাপনের প্রচেষ্টা। ক্ষমতাসীনদের ধারাবাহিকতা থাকায় জনগণ অবশ্যই তাদের সামগ্রিক কার্যক্রম প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির নিরিখে নিরীক্ষণ করছে এবং করবে। বিরোধীসহ অপরাপর রাজনৈতিক শক্তিসমূহের কার্যক্রমকেও মূল্যায়ন করছে। এটা মনে করার সঙ্গত কোন কারণ নেই যে, জনগণ অতীতের মতো বার বার একতরফাভাবে রাজনৈতিক সংঘাতের করুণ শিকারে পরিণত হতে চাইবে- ভোটের সঠিক প্রতিফলন না পেয়েও সন্তুষ্ট থাকবে। মানুষ অবশ্যই বিপদ থেকে মুক্তি চাইবে। অনিশ্চয়তা থেকে সুস্থির রাজনৈতিক জীবনের সন্ধান করবে। ফলে গণতন্ত্র, সুশাসন, উন্নয়ন, নিরাপত্তা, আইনের শাসন, মানবাধিকার ও শান্তির প্রশ্নে জনঐক্যের ভিত রচনা করতে হবে এ বছরেই। এভাবেই স্খলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতির অন্ধচক্রের গহ্বর থেকে মুক্তির ধ্বনি নিয়ে ২০১৯ সাল জাতিসত্তার প্রবল উত্থানে রচনা করতে পারবে গণতন্ত্র ও সুশাসনভিত্তিক কল্যাণকর সমাজ এবং সমৃদ্ধির উজ্জ্বলতম নব ইতিহাস। যে ইতিহাস মুখর করতে হবে নাগরিকগণের সরব কণ্ঠস্বরে; দলগুলোকে দলীয় স্বার্থচিন্তার গন্ডি থেকে জাতীয় স্বার্থের মূল¯্রােতে ফিরিয়ে আনার মাধ্যমেই শুরু করতে হবে গণঅধিকার প্রতিষ্ঠার নবঅভিযান।
আমরা বাঙালিরা সাধারণত ভুলো জাতি। অতীতকে সহজেই ভুলে যাই। মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদদের ভুলে গেছি, ভুলে গেছি দু’লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানি, ভুলে গেছি জাতির জনকের স্বপরিবারে হত্যাজজ্ঞ, প্রিসিডেন্ট জিয়া, মেজর মঞ্জুরদেরকেও ভুলে গেছি; মনে রাখিনি স্বৈরাচার এরশাদ, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন, চারদলীয় জোট সরকারের ‘হাওয়াভবন’, ওয়ান-ইলেভেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন।
বাংলাদেশের মানুষ অপেক্ষমাণ অতীতের গ্লানি ও অক্ষমতা ঝেড়ে ফেলে নতুন বছরের কাঙ্খিত অর্জনের জন্য সব ভুলে যায়। মানব সমাজের আশা কখনোই কোনও শঙ্কার কাছেই পরাভব মানে না। সামগ্রিক আশা ও শঙ্কার অবসান ঘটুক; ২০১৯ সালে আশার বিজয় কেতন উড়–ক বাংলাদেশের সর্বত্র; প্রতিটি দলে, জোটে, ঘরে এবং প্রত্যেকটি নাগরিকের অন্তরের গহীন-গভীরে। তবেই রোপিত হবে ন্যায্যতা ও সাম্যতার গরিবহীন গণতন্ত্রের, অঙ্কুরিত হবে শান্তির বাংলাদেশের চারা-গাছ, দিবে ফল, যা পাবে সবজন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ