চোখের চিকিৎসায় দক্ষ জনবল গড়তে কুমুদিনীর নতুন উদ্যোগ

শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার, মির্জাপুর ॥
চোখের চিকিৎসায় দক্ষ অফথালমিক অ্যাসিস্ট্যান্ট তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর কুমুদিনী মেডিক্যাল টেকনোলজি ইনস্টিটিউট (কেএমটিআই)। এর আওতায় চক্ষু চিকিৎসায় এক বছর মেয়াদি ‘মিড লেভেল অফথালমিক পারসোনেল’ (এমএলওপি) কোর্সে দক্ষ জনবল গড়ে তোলা হবে, যাঁরা চক্ষু বিশেষজ্ঞদের সহায়তা করবেন।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কুমুদিনী উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এই কোর্সে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে কোর্সটির যাত্রাও শুরু হয়।
এক বছর মেয়াদি কোর্স সূচনার অনুষ্ঠানে জানানো হয়, পৃথিবীতে পাঁচ কোটি মানুষ অন্ধত্বে ভুগছে, যার প্রায় অর্ধেকের কারণ ছানি। দেশে অন্ধত্বের শিকার প্রায় ১০ লাখ কিন্তু চক্ষু বিশেষজ্ঞ রয়েছেন মাত্র এক হাজার ২০০জন। তবে বিশেষজ্ঞদের সহায়তাকারী অফথালমিক অ্যাসিস্ট্যান্টের সংখ্যা জানা নেই। কিন্তু ভিশন ২০২০ রাইট টু সাইট মানদণ্ড অনুযায়ী, চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও অফথালমিক অ্যাসিস্ট্যান্টের অনুপাত ১ঃ৪ হওয়া প্রয়োজন। তাই পর্যাপ্ত অফথালমিক অ্যাসিস্ট্যান্ট তৈরির লক্ষ্যে এই কোর্স চালু করছে কুমুদিনী মেডিক্যাল টেকনোলজি ইনস্টিটিউট।
এমএলওপি কোর্স শুরু ও নবীনবরণ অনুষ্ঠানে কেএমটিআই অধ্যক্ষ ডা. এস এম শহীদুল্লাহ্র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমুদিনী ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কেএমটিআই চেয়ারম্যান রাজীব প্রসাদ সাহা। এ সময় ট্রাস্টের পরিচালক ভাষাসৈনিক প্রতিভা মুৎসুদ্দি, কুমুদিনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায়, একাডেমিক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. এম এ জলিল প্রমুখ বক্তব্য দেন।
ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়ার পর কোর্সের নবাগত শিক্ষার্থীদের শপথ পাঠ করান একাডেমিক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. এমএ জলিল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কলেজের শিক্ষার্থী শিফা খানম ও শাওন দাস।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ