করোনার কারণে কমেছে বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল আদায়

শেয়ার করুন

নোমান আব্দুল্লাহ ॥
দিনদিন কমছে বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল আদায়। গত ৪৪ দিনে প্রায় অর্দ্ধেকের নিচে নেমে এসেছে সেতুটির টোলের আদায়কৃত টাকার পরিমান। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে গণপরিবহন বন্ধের সিদ্ধান্তের ফলে সেতুটি দিয়ে দূরপাল্লার সকল বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর ফলে বর্তমানে প্রতিদিনে গড়ে সেতু দিয়ে পারাপারের পরিবহন সংখ্যা কমেছে ১৪/১৫ হাজার। আর আদায়কৃত টোলের টাকা কমেছে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ লাখ।
জানা যায়, উত্তরবঙ্গের ২৬টি জেলার ৯২টি রোডসহ ১২২ রোডের যানবাহন ঢাকা-টাঙ্গাইল ও বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক হয়ে বঙ্গবন্ধু সেতুর উপর দিয়ে পারাপার করে। সেতু পারাপারের টোল বড় ট্রাক ১৪০০ টাকা, মাঝারি ট্রাক ১১০০ টাকা, ছোট ট্রাক ৮৫০ টাকা, বড় বাস ৯০০ টাকা, ছোট বাস ৬৫০ টাকা, কার/হালকা যানবাহন ৫০০ টাকা আর মোটরসাইকেল ৪০ টাকা। এছাড়াও সেতুটির রক্ষণাবেক্ষন, টোল আদায়সহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনায় কর্মরত রয়েছেন ১২৫ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী। টোল আদায়ের টাকা থেকে সেতুর রক্ষণাবেক্ষনে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বেতন ভাতাদিসহ আনুসাঙ্গিক খরচ বহন করছে সেতু বিভাগ।
সেতুর টোল আদায়কারী প্রতিষ্ঠানের তথ্যে জানা যায়, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে গত ২৫ মার্চ থেকে দেশের সকল সড়ক ও মহাসড়কে গণপরিবহন বন্ধ ঘোষণা করেছেন সরকার। এ আদেশ ঈদের পর পর্যন্ত থাকবে। এর ফলে সেতুতে বন্ধ রয়েছে সকল গণপরিবহন চলাচল। স্বাভাবিক অবস্থায় সেতু দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ১৬ থেকে ১৭ হাজার পরিবহন চলাচল করতো। যা থেকে টোল আদায় হতো ১ কোটি ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা। সেতু দিয়ে এখন চলাচল করছে শুধু পণ্য পরিবহন।
বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল আদায় কর্তৃপক্ষ টিনিউজকে জানায়, বর্তমানে সেতুর টোল আদায় কমেছে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ লাখ টাকা। এছাড়াও গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকায় সেতুতে যানবাহন পারাপারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এখন প্রায় ১৪ থেকে ১৫ হাজার। বর্র্তমানে শুধু পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করছে। পরিস্থিতি এবং সরকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে এখন সেতুর টোল আদায় আরো কমবে নাকি বাড়বে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ