Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

এলেঙ্গা-জামালপুর ৭৭ কি.মি সড়ক প্রশস্তকরণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ

শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার ॥
টাঙ্গাইলের কালিহাতীর এলেঙ্গা থেকে জামালপুর পর্যন্ত ৭৭ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের কাজে ধীরগতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কাজে অবহেলা, অনিয়মতান্ত্রিক ও ধীরগতির জন্য মধুপুর হয়ে বৃহত্তর ময়মনসিংহের পাঁচ জেলা এবং সিলেট অঞ্চলে সড়ক পথে যাতায়াতসহ পণ্য পরিবহনে চরম ভোগান্তিতে পড়ছে সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, ৫টি প্যাকেজে ৪৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পে টাঙ্গাইলের কালিহাতীর এলেঙ্গা থেকে জামালপুর পর্যন্ত ৭৭ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণ তথা উন্নয়নের কাজ চলছে। আগামী ২০২০ সালের জুনে কাজ শেষ হওয়ার কথা। সড়কের ৩ নম্বর প্যাকেজে কাজ পেয়েছে ঢাকার ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি গত বছরের (৭ নভেম্বর) থেকে কাজ শুরু করে নয় মাসে কাজের আশানুরূপ অগ্রগতি তেমন করতে পারেনি। কাজের গতি হতাশাব্যঞ্জক। মধুপুর পৌর শহরের মালাউড়ি থেকে মধুপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কে দেড় ফুট উঁচু রিজিট পেভমেন্ট ঢালাই হওয়ার কথা। গত ৮ মাসে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দুই পাশে সড়ক খোঁড়াখুঁড়ি করে যান চলাচলে শুধু বিঘ্ন ঘটানো ছাড়া কাজের বিশেষ কিছু দৃশ্যমান করতে পারেনি। এক কিলোমিটারের মধ্যে ১০-২০ গজের মতো রিজিট পেভমেন্ট ঢালাইয়ের কাজ শেষ করেছে। বৃষ্টির আশায় খরচ বাঁচাতে পেভমেন্টে নিয়মিত পানি না দেয়ায় তা ফেটে যাচ্ছে। সড়কের এক পাশ যানবাহন চালু রাখার উপযুক্ত ব্যবস্থা না করেই অপরপাশে পেভমেন্ট ঢালাইয়ের কাজ চলছে। এ ঢালাইয়ের নিচে সিসি ঢালাইয়ের কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ আছে, রাতে নিচে চার ইঞ্চির ভিত্তি ঢালাইয়ে দেয়া হচ্ছে দেড় ইঞ্চি। এছাড়া সড়কের পাশ বৃদ্ধির জন্য মাটি খুঁড়ে রেখেছে দীর্ঘ দিন ধরে। এতে করে এই সড়কে ঝুকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করতে হচ্ছে।
এদিকে সড়কের এ কাজের মান নিয়ে কথা উঠেছিল মধুপুর উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে কৃষিমন্ত্রীর সাথে অনুষ্ঠিত বৈঠকে। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ আহমেদ নাসির জানান, ওই বৈঠকে রাস্তার কাজ নিয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাকের কাছে অনেকেই অভিযোগ করেন।
কাজ পাওয়া করিম গ্রুপের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের এ অঞ্চলের কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকল্প পরিচালক (পিএম) হাফিজ উদ্দিন টিনিউজকে জানান, বিভাগীয় কর্মকর্তাদের নিয়মিত মনিটরিংয়ে কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। অনিয়মের সুযোগ নেই। মানের ক্ষেত্রে তার প্রতিষ্ঠান অনেক সচেতন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ