Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

আমরা গর্বিত, আমাদের একজন শেখ হাসিনা আছে

শেয়ার করুন

সাব্বির হোসেন শুভ ॥
যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশটাকে নিয়ে যখন বঙ্গবন্ধু নতুন এক যাত্রার দ্বারপ্রান্তে, ঠিক দ্বারের অপর প্রান্তে অপেক্ষা করতেছিল হাজারো কণ্টকাকীর্ণ পথ। ব্যাংকে ছিল না কোন রিজার্ভ টাকা, ছিল বহির্বিশ্বের নাক সিটকানো পরিবেশ । বঙ্গবন্ধুর সঞ্চয় ছিল শুধু কোটি বাঙ্গালীর আবেগ আর ভালোবাসা, সেটাকেই পুঁজি করে নিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে তিনি ছুটে চলেছিলেন অদম্য গতিতে। কিন্তু শকুনের চোখ তাকেই লক্ষ্য করে, শেষ হয়ে যায় বাঙ্গালীর বিশ্বমানচিত্রে। দৌড়ের যাত্রার প্রথম পর্ব । পরের ইতিহাস শুধু হতাশার ২১ বছরের হতাশার ইতিহাস স্বাধীনতার প্রেতাত্মাদের দৌরাত্মের ইতিহাস। ৯৬ এ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যখন ক্ষমতায় আসল, ২১ বছর পর স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিরা একটু বেঁচে থাকার আশা দেখল নতুন করে , সেই আসাটা তিনি বিফলে যেতে দেন নি । আর দিবেন কি করে, তিনি তো বঙ্গবন্ধুরি কন্যা, সেই প্রতিবাদী, আপোষহীন রক্ততো তার মধ্যেও বহমান ।
২০০১ এ রাজনৈতিক বিভিন্ন সমাকরণে আবারো ক্ষমতা হারাতে হয় স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিদের ।২০০১-২০০৭ পর্যন্ত বাংলাদেশ দেখেছে দুর্নীতেতে ৫বার চ্যাম্পিয়ন সহ , ৬৩ জেলায় এক যোগে বোমা হামলা, শেখ হাসিনার উপর গ্রেনেড হামলা , জঙ্গীর উত্থান, রমনার বটমূলে বোমা হামলা সহ নৈরাজ্যময় এক দু:শাসন ।
২০০৮ এ বাংলাদেশের আপামর জনগণ আর ভুল করেননি, দায়িত্বটা ঠিক ই তুলে দিয়েছিল বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার হাতে । আর বিজয়ের সেই উপাখ্যান তখন থেকেই শুরু, সেই জয়রথ আজও ছুটে চলেছে । ১০ বছরে দেশ এগিয়ে গিয়েছে কয়েক গুণ ।
গমুদ্রসীমা সীমা বিজয় থেকে শুরুকরে, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, নারীর ক্ষমতায়ন, অসংখ্য ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠা, পায়রা সমুদ্র বন্দর, কর্ণফুলি ট্যানেল,সীমানা ছিট মহল সমাধান, বরিশালে রেল লাইন,পদ্মা সেতু, রেকর্ড পরিমান রিজার্ভ, নন ক্যাডার নিয়োগ, পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, জিডিপি প্রবৃদ্ধি,সময়মত বিসিএস পরীক্ষা, কৃষি ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা,ডিজিটাল বাংলাদেশ, মাতৃকালীন ছুটি বৃদ্ধি ,মেট্রোরেল, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি, ঢাকা বরিশাল ফোর লেন, ঢাকা চট্রগ্রাম এক্সপ্রেস রেলওয়ে, গভীর সমুদ্র বন্দর,সরকারী কর্মচারীদদের বেতন বৃদ্ধি,রপ্তানি বৃদ্ধি সহ হাজারো উন্নয়নের ছোয়া ।
বর্তমান তরুণ প্রজন্মের যারা শেখ হাসিনা সরকারের ঘোর বিরোধী তারাও ৬০-৭০ বছর পরে নাতি নাতনিদের কাছে গর্ব ভরে গল্প করে বলবে ,আমি শেখ হাসিনার আমলে ছিলাম, আমাদের সময়ে একজন শেখ হাসিনা ছিলেন ।বিশ্ব আজ অবাক হয়ে বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে থাকে। পুলকিত চোখে তাকিয়ে থাকে বাংলাদেশের অগ্রগতির দিকে । বিদায়ী মার্কিন রাষ্ট্রদূত বার্নিক্যাট তো বলেই গিয়েছেন, যেখানেই যাবো বাংলাদেশের সাফল্য ও অগ্রযাত্রার গল্প বলবো ।
তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারিয়ট হেনরি কিসিনজার বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলেছিলেন , শেখ হাসিনার আমলে সেই বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশে আসেন বাংলাদেশের সাফল্যের গল্প শুনতে ।
বর্তমান প্রজন্ম গর্বিত যে, তাদের সময়ে একজন রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা আছেন ।
সুকান্তের ভাষায় বলতে হয়, সাবাশ বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয় ।

শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

ব্রেকিং নিউজঃ